আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চিকিৎসকের শরীরে করোনা ভাইরাসের জীবাণু ধরা পড়ায় বন্ধ হয়ে গেল দিল্লি সরকার পরিচালিত একটি হাসপাতাল। ওই চিকিৎসক দিল্লির সরকারি ক্যান্সার হাসপাতালে কাজ করতেন। তাঁর শরীরে করোনার জীবাণু ধরা পড়ায় হাসপাতালের ওপিডি বিভাগ সহ বিভিন্ন দপ্তর ও ল্যাবরেটরি স্যানিটাইজ করা হয়েছে। 
ওই চিকিৎসকের সান্নিধ্যে যারা এসেছিলেন, তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, বিদেশ থেকে আসা আত্মীয়দের সংস্পর্শে আসাতেই ওই চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 
জানা গেছে, ওই চিকিৎসকের ভাই ও ভগ্নিপতি সম্প্রতি ব্রিটেন থেকে ফিরেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের থেকেই ওই চিকিৎসকের শরীরে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে। 
ইতিমধ্যেই রাজধানীতে ১০০ জন করোনায় আক্রান্ত। মারা গেছেন দু’‌জন। এর আগে দিল্লির আর এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দম্পতি করোনায় আক্রান্ত হন। সৌদি আরব থেকে আসা এক করোনা রোগীর সান্নিধ্য আসাতেই চিকিৎসক দম্পতির শরীরে করোনার জীবাণু থাবা বসায়। 
এদিকে, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুর অবধি নতুন করে ২৪০ জনের শরীরে সংক্রমণ দেখা গেছে। সোমবার এই সংখ্যাটা ছিল ২৩০। গোটা দেশে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। তবে আশার খবর এই যে, ইতিমধ্যেই ১২৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে ইতিমধ্যেই ৩০২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার পরেই রয়েছে কেরল। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪১। তারপরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, কর্নাটক, তেলঙ্গানা, তামিলনাড়ু এবং রাজস্থান। উত্তরপ্রদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৩। দিল্লিতে ১২০, কর্নাটকে ৮৩, তেলঙ্গানা ৭৯, তামিলনাড়ুতে ১২৪ এবং রাজস্থানে ৭৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

 

 মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। ওই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৯। তার পরে রয়েছে গুজরাট। সেখানে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭। মারা গেছেন পাঁচ জন। 

জনপ্রিয়

Back To Top