আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌ফাঁসি দিয়ে আর কী হবে?‌ দিল্লির বাতাসের মান যে হারে খারাপ হচ্ছে, তাতে আর কয়েক বছরে এমনিতেই মারা যাব। এমনই হাস্যকর অদ্ভুত যুক্তি দেখিয়ে প্রাণভিক্ষা চেয়েছে নির্ভয়া কাণ্ডের দোষী অক্ষয় সিং ঠাকুর। একমাত্র অক্ষয় সিং ঠাকুরই বাদে ২০১২ সালের নির্ভয়া কাণ্ডের বাকি তিন দোষীরা ফাঁসির সাজার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে রিট পিটিশন দাখিল করেছিল। কিন্তু বিনয়, মুকেশ, পবনের আর্জি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। এবার প্রাণভিক্ষা চাইলেন অক্ষয় ঠাকুর। রিভিউ পিটিশনে অক্ষয় লিখেছে, ‘‌আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার সিদ্ধান্ত ভুল। আর এই মৃত্যুদণ্ডের রায় এখন অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। এছাড়াও দিল্লির বাতাসের গুণগত মানের যা হাল, তাতে আর কয়েক বছরেই মারা যাব। দিল্লি এখন একটা গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছে। জীবন এমনিতেই আরও ছোট হয়ে আসছে। তাহলে কেন মৃত্যুদণ্ড?‌’‌ এখানেই শেষ নয়, আর্জি জানিয়ে বেদ পুরাণের কথাও টেনে এনেছে অক্ষয়। অদ্ভুত যুক্তি দেখিয়ে অক্ষয় রিভিউ পিটিশনে লিখেছে, ‘‌সত্যযুগে মানুষ হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতেন। কিন্তু এখন তো কলিযুগ। পঞ্চাশ ষাটের বেশি তো মানুষ বাঁচতেই পারেনা।’‌ 
২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে গভীর রাতে বছর কুড়ির এক তরুণীকে চলন্ত বাসে তুলে ছ’জন মিলে অকথ্য নির্যাতন ও গণধর্ষণ করেন। ওই ঘটনা নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র সাড়া পড়ে। ঘটনায় ছ’জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিম্ন আদালত। তাঁদের মধ্যে একজন ঘটনার সময় নাবালক থাকায় তাকে তিন বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছিল। মেয়াদ শেষে ছাড়াও পেয়ে গিয়েছে সে। পাঁচজনকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। এদের মধ্যে আবার রাম সিংহ নামে এক অভিযুক্ত তিহাড় জেলের মধ্যেই আত্মহত্যা করেন। নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত, শীর্ষ আদালত হয়ে সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়াও শেষের পথে।    ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top