আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল দেশ। সংক্রমণ বাড়ছে। এই আতঙ্কের মধ্যেই আবার বিশেষজ্ঞরা তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার কথা বলছেন। আর এই তৃতীয় ঢেউয়ে নাকি শিশুরাও সংক্রমিত হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।
মহারাষ্ট্রে যেমন এখনও পর্যন্ত ০ থেকে ১০ বছর বয়সী এক লক্ষ ৪৫ হাজার ৯৩০ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। একই সময়ে, মহারাষ্ট্রে ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৭০৯ কিশোর এবং যুবককে চিহ্নিত করা হয়েছে। 
করোনার প্রথম ঢেউয়ে যেখানে প্রবীণরা বেশি আক্রান্ত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সেখানে তরুণরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আবার গবেষকরা বলছেন তৃতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বেশি করে ছড়াতে পারে শিশুদের মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের সঠিক প্রোটোকল মেনে টিকা দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ কোনও ওষুধও আবিষ্কার হয়নি। গবেষকরা তাই শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলছেন আগেভাগেই। চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুদের ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম খাওয়ানো যেতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা বাড়িতে কারও উপসর্গ থাকলে, তার কাছ থেকে শিশুদের দূরে রাখা প্রয়োজন। এগুলি ছাড়াও শিশুদের ঠান্ডা বা পেটের সমস্যা থেকে রক্ষা করতে হবে। তাই বাচ্চাদের বেশি ঠান্ডা জল কিংবা তেলেভাজা জাতীয় খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ডাল, সবুজ শাকসবজি এবং তাজা ফল খাওয়ানো উচিত বেশি করে।  
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাচ্চাদের মধ্যে ডায়রিয়া, সর্দি–কাশি, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তিভাব থাকলে অবহেলা করা উচিত নয়। পাশাপাশি বাইরে থেকে আসা লোকদের সংস্পর্শে বাচ্চাদের আনা উচিত নয়। কোনও অনুষ্ঠান বা বাজারে বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়া চলবে না। বাড়িতে কেউ অসুস্থ থাকলে শিশুর মাস্ক পরা জরুরি। অন্য শিশুদের সঙ্গে মিশতে দেওয়াও এখন উচিত নয়। সবচেয়ে বড় কথা শিশুদের চাঙ্গা রাখতে হবে। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top