আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নামে কাশ্মীরে নৈরাজ্য চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত আগস্ট মাসে জম্মু–কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে থেকেই উপত্যকার সব রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের আটক এবং গৃহবন্দি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিছুদিন আগে জম্মুর বেশ কয়েকজন নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাশ্মীরের প্রথম সারির নেতা নেত্রীদের এখনও গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এমন অবস্থায় উপত্যকায় ব্লক স্তরের নির্বাচন হবে আগামী ২৪ অক্টোবর। নেতাদের বন্দি রেখে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন করা হচ্ছে, এই অভিযোগে কাশ্মীরের ব্লক স্তরের নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠক করে জম্মু–কাশ্মীরের প্রদেশ সভাপতি জিএ মীর জানিয়েছেন, ‘‌ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের ভোটে অংশগ্রহণ করবে না কংগ্রেস। কারণ এভাবে নির্বাচন হলে, তা সংবিধান বিরোধী হবে এবং একচ্ছত্র জয় হবে গেরুয়া শিবিরের। কাশ্মীরের কংগ্রেসের নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখার পাশাপাশি, তাঁদের নূন্যতম নিরাপত্তাও দেওয়া হচ্ছে না। এই ইস্যুতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নির্বাচন কমিশনের। কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা গৃহবন্দি। এই অবস্থায় কীভাবে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন সম্ভব?‌ সব রাজনৈতিক দলগুলিকে ডেকে আলোচনায় বসা উচিত কমিশনের।’ ‌রাজ্যের প্রায় ৪০০ জন রাজনৈতিক নেতার মধ্যে গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ৮৩ বছরের ফারুখ আবদুল্লা, তাঁর ছেলে ওমর আবদুল্লা ও পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রধান মেহবুবা মুফতি। এদিকে প্রায় দু'মাস পর মুক্তি পান জম্মুর নেতারা। জম্মুতে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে যাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় সেই রাজনৈতিক নেতারা হলেন দেবেন্দর সিংহ রানা, রমন ভাল্লা, হর্ষদেব সিংহ, চৌধুরীলাল সিংহ, ভিকার রসুল, জাভেদ রানা, সুরজিত্‍ সিংহ স্লাথিয়া ও সাজ্জাদ আহমেদ কিচলু। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই জম্মুর বেশ কয়েকজন নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এবার পালা কাশ্মীরের। সেখানকার নেতারাও মুক্তি পাবেন। তবে এক এক করে।

জনপ্রিয়

Back To Top