আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ১৫ আগস্ট থেকে জম্মুর একটি এবং কাশ্মীরের একটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ৪জি পরিষেবা। অনুমোদন দিল কেন্দ্রের তৈরি বিশেষ কমিটি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টকে সেকথা জানিয়ে দিল। 
তবে সুপ্রিম কোর্টকে এও জানিয়ে দিল, সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় নেট পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ কম, সেখানেই চালু হচ্ছে ৪জি পরিষেবা। দু’‌ মাস পর ফের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে সরকার। 
গত আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা রদ করে কেন্দ্র। ৩৭০ ধারা তুলে নিয়ে দু’‌টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভেঙে দেয় রাজ্যটিকে। তখন নেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। বলা হয়, নেট চালু থাকলে হিংসা ছড়াতে পারে। 
তার প্রায় ছয় মাস পরে জানুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। তবে শুধুমাত্র কম গতির ২জি পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্তই নেয় কেন্দ্র। প্রিপেইড ও পোস্টপেইড দুই ধরনের সিমের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়। তবে ২জি মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হলেও শুধুমাত্র ‘‌হোয়াইটলিস্টেড’‌ অর্থাৎ নির্দিষ্ট কয়েকটি সাইটই দেখার অনুমতি পেয়েছিলেন কাশ্মীরবাসী। সোশ্যাল মিডিয়ায় আনাগোনা করতে পারেননি তাঁরা। 
তবে ২০২০ সালের ৬ মে ফের বন্ধ হয় এই ২জি পরিষেবা। হিজবুল মুজাহিদিন প্রধান নাইকুর মৃত্যুর পর হিংসা এড়াতে এই সিদ্ধান্ত। তবে ১২ মে পুলওয়ামা ও সোপিয়ান জেলা ছাড়া বাকি সব জায়গায় ফের চালু হয় ২জি। 
কেন্দ্রের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল। জম্মু ও কাশ্মীরের কয়েকটি জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার বিষয়ে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের জবাবদিহি চায়। প্রশাসন আরও একটু সময় চেয়ে নেয় এই বলে যে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন লেফটেনান্ট গভর্নর নিযুক্ত হয়েছেন। জিসি মুর্মুর জায়গায় নতুন উপরাজ্যপাল হয়েছেন মনোজ সিনহা। 
জিসি মুর্মুর প্রশাসন বরাবর জম্মু ও কাশ্মীরে নেট পরিষেবা চালু করার বিরোধিতা করে এসেছে। তাদের দাবি, নেট পরিষেবা চালু হলে উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়বে। 

জনপ্রিয়

Back To Top