আজকালের প্রতিবেদন: তামাকজাত দ্রব্য সেবন এবং বায়ু দূষণের সঙ্গে ফুসফুসের ক্যান্সার সরাসরি সম্পর্কিত। শুধু সিগারেট নয়, সিগার, পাইপ স্মোকিং, হুক্কা খেলেও ঝুঁকি ফুসফুসের ক্যান্সারের। এছাড়াও দিনে বেশি পরিমাণে সিগারেট খেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে ধূমপানের ফলে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রবল। সকল ধূমপায়ী না হলেও, অধিকাংশই শিকার হন ফুসফুসের ক্যান্সারে। প্রতি ১০ জন ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তের মধ্যে ৯ জনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ কারণ ধূমপান। তবে প্রাথমিক উপসর্গগুলি অধিকাংশ মানুষই এড়িয়ে চলেন। 
সিএমআরআই হাসপাতালের বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রঞ্জন দাশ জানিয়েছেন, ‘‌এখন কম বয়সে ফুসফুসের ক্যান্সার বেশি চিহ্নিত হচ্ছে।  ৪০–৪৫ বছর বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।  কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, সার্জারি— তিন রকম পদ্ধতিতেই চিকিৎসা হয়। তবে দ্রুত চিহ্নিত হলে সর্বোত্তম উপায় হল সার্জারি। কিন্তু রোগীরা অনেক দেরিতে জানতে পারেন। যত তাড়াতাড়ি রোগ ধরা পড়বে, চিকিৎসায় তত বেশি সুফল মিলবে।’‌  ডাঃ দাশ আরও জানান, এন্ডো ব্রঙ্কিয়াল টিউমার বা এন্ডো ট্র‌্যাকিয়াল এই দু’‌ধরনের টিউমারেরই চিকিৎসা করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ব্রঙ্কিয়াল টিউমারের চিকিৎসায় নতুন প্রযুক্তি ক্রায়োসার্জারি করা হয়। যদিও এতে সাময়িক স্বস্তি পাবেন রোগীরা। এছাড়াও শ্বাসনালিতে ব্রঙ্কোস্কোপের মাধ্যমে ইলেক্ট্রোকশেরি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক তরঙ্গের সাহায্যে ধীরে ধীরে টিউমার কাটা হয়। এটি এক ধরনের মিনিম্যাল ইনভেসিভ পদ্ধতি, ১–২টো সিটিং লাগে। চিকিৎসকদের মতে, অনবরত কাশি, কফ, শ্বাসকষ্ট, কফের সঙ্গে রক্ত পড়লে, কাশির সময় বুকে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top