আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লাদাখে চীনের সঙ্গে বিরোধ শুরু হতেই ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক উঠেছে। অথচ বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, ইস্পাত, গাড়ির যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে কাগজ, আসবাব, প্লাস্টিক পণ্যের মতো বহু জিনিস চীন থেকে নিয়মিত আমদানি করে ভারত। আমদানি হয় ওষুধ এবং ওষুধ তৈরির বিভিন্ন উপাদান। সেটা বন্ধ হয়ে গেলে ওষুধের দাম কী হারে বাড়তে পারে, তার সামান্য আভাস দিয়েছে করোনা লকডাউন। দেশের বাজারে খুবই সাধারণ মানের ওষুধও মহার্ঘ হয়ে গিয়েছিল। যদিও আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে এবার থেকে দেশেই ওষুধের উপাদান তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছে মোদি সরকার। তাতে বিদেশি বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না সেটা হচ্ছে, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে গেলে ভারতই বেকায়দায় পড়বে।
চীন থেকে ওষুধ আসা বন্ধ হলে টান পড়বে মধ্যবিত্তের পকেটে। সামান্য জ্বর–সর্দি–কাশির ওষুধের দামও বাড়বে। মধ্যবিত্তের ঘরে ঘরে থাকা সাধারণ মেট্রোজিল, র‌্যানট্যাক, প্যারাসিটামল এমনকি অ্যান্টাসিডের দামও নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। যেহেতু ভারতের ওষুধ কোম্পানিগুলি পুরোপুরি চীনের ওপর নির্ভরশীল। ২০১৮–১৯ অর্থবর্ষে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি করেছে ভারত। ৮০%–এরও বেশি অ্যান্টিবায়োটিকস চীন থেকে এসেছে ওই বছর। এবং চীন থেকে কম দামে আমদানি করা যায় বলেই দেশের বাজারে ওষুধের দাম মধবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকে।

জনপ্রিয়

Back To Top