আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদের এবার নিজেদের দেশে পাঠানো হবে। বিতর্কিত এই মন্তব্য করেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। এনআরসি’‌র ওপর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। রাম মাধব বলেন, ‘‌এনআরসি সব অবৈধ অভিবাসীকে শনাক্ত করবে। পরের পদক্ষেপ হবে ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম মুছে ফেলা। এবং সব সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা। আর তার পরের ধাপ বিতাড়ন।’‌ স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি নেতার এই মন্তব্য জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এমনকী দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি করছেন বলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যে অভিযোগ এতদিন করছিলেন তা সত্য প্রমাণিত হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
তাঁর বক্তব্য, ‘‌বিশ্বের কোনও দেশ অবৈধ অভিবাসীদের সহ্য করে না। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে ভারত অবৈধ অভিবাসীদের ধর্মশালা হয়ে উঠেছে। প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু অসমে প্রচুর সংখ্যক অবৈধ অভিবাসীর কথা অনুধাবন করে রাজ্যের জন্য একটি নতুন আইন করেন। ১৯৫০ সালের সেই আইনে বিদেশিদের বিতাড়নের কথা বলা হয়।’‌   
অসমে এনআরসি ইস্যু নিয়ে সারা দেশে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক চর্চা হয়। অনেকে তার বিরোধিতা করেন। তবে সারা দেশে এনআরসি প্রয়োগের কথা বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। তিনি বলেন, ‘‌ভারতের প্রকৃত নাগরিকরা নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণের যথেষ্ট সুযোগ পাবেন।’‌ বিজেপি নেতার বিতর্কিত মন্তব্যকে ঢাকতেই এমন কথা বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলে মনে করছেন অনেকে। 

জনপ্রিয়

Back To Top