আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘরে বাঘ। কোনওমতে ডাঙা খুঁজে বিশ্রাম নিচ্ছে গণ্ডার। জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে পশু। জঙ্গল, শহর, গ্রাম নিয়ে অসম এখন জলের তলায়। কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের ৮০ শতাংশ পশু এখন প্রাণে বাঁচার মরিয়া লড়াই চালাচ্ছে। কাজিরাঙা অভয়ারণ্য ও আশেপাশের এলাকায় চলছে এক অন্য বাঁচার লড়াই। খবর মিলেছে, অভয়ারণ্যে আটকে পড়েছে প্রচুর গণ্ডার, হরিণ ও হাতি। অভয়ারণ্যের একটি উঁচু জমিতে বিশ্রামরত ক্লান্ত গণ্ডারের ছবি ভাইরাল হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গণ্ডার দেখতে পাওয়া যায় কাজিরাঙা অভয়ারন্যে। জাতীয় বনদপ্তরের আধিকারিক পারভিন কাসোয়ান সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন, তাতে দেখা গিয়েছে বনদপ্তরের উদ্ধারকারী একটি দল ডুবন্ত একটি হরিণ ও একটি গণ্ডারের বাচ্চাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। 
অসমে কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্যে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু তার সঙ্গে ভেসে উঠছে বন্য জন্তুর মৃতদেহ। এখনও পর্যন্ত ৫১টি বন্য জন্তুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বুধবার ৪৩০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বন্যার জলের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার নামতেই ভেসে উঠেছে পাঁচটি গন্ডার ও একটি হাতির মৃতদেহ। এই অভয়ারন্যের ৯০ শতাংশ এলাকা ও ৯৫টি ক্যাম্প এখনও জলের তলায়। অরণ্য ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় পালাতে গিয়ে গাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অনেক প্রানীর। পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা এখনও পর্যন্ত ৫৭টি পশুকে উদ্ধার করেছেন। তাদের মধ্যে ৪৩টি পশুকে বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন ও সংরক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
যদিও ওরাং, নামেরী, দিবরু-সাইখোয়া, মানস জাতীয় উদ্যান ও পবিতোরা অভয়ারণ্য থেকে কোনও বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।   

জনপ্রিয়

Back To Top