আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌লকডাউনে রাতারাতি রুজিরুটি হারিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে এসেছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক। ফের বড় শহরে কাজের সন্ধানে ফিরে যাওয়া আদৌ হবে কিনা,‌ জানেন না তাঁরা। পরিবারের মুখে দু’‌মুঠো ভাত তুলে দিতে পারবেন কিনা, জানেন না। এই পরিযায়ীদের জন্যে গ্রামেই কাজের ক্ষেত্র তৈরি করে দিলেন পরীক্ষিত দত্ত। রিদিম এগ্রিকালচারাল গ্রুপ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যনির্বাহী সভাপতি তিনি। অসমের গোলাঘাট জেলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মাছ চাষে উৎসাহ দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ৬০ জনকে প্রশিক্ষণও দিয়ে ফেলেছেন তিনি। কীভাবে বায়োফ্লক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ছোট্ট অঞ্চলে বিপুল মাছের চাষ করা যায়, তারই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন পরীক্ষিত। সংবাদমাধ্যমে জানাচ্ছেন,‌ ‘‌ফিরে আসা যুবক শ্রমিকদের জন্য অবশ্যই কিছু করার প্রয়োজন ছিল। তাঁদের অনেককে চারা মাছ এবং জাল দেওয়া হয়েছে চাষ শুরু করার জন্য। যাতে তাঁরা গ্রামে থেকেই রোজগারের উপায় খুঁজতে পারেন।’‌ 
ইতিমধ্যেই মাছ চাষে মানুষকে উৎসাহিত করতে মৎস্য দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। যাতে রাজ্যেই রুটিরুজির ব্যবস্থা করতে পারেন শ্রমিকেরা। ব্রহ্মপুত্র এবং বরাক নদীর উপকূলে মাছ চাষের ক্ষেত্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।   

জনপ্রিয়

Back To Top