আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিবৃতি পেশ করলেন অনুরাগের আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা খিমানি। অনুরাগ সেটি টুইটারে শেয়ার করলেন। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‌আমার ক্লায়েন্ট অনুরাগ কাশ্যপ সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত যৌন হেনস্থার মিথ্যা অভিযোগে গভীরভাবে আহত হয়েছেন। এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা, দূষিত এবং অসৎ। দুঃখের বিষয় যে, ‘‌মি টু’‌ আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক আন্দোলনকে কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজেদের লাভের জন্য ব্যবহার করছেন। এবং এটি চরিত্র হত্যার একমাত্র হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। যা হওয়া উচিত ছিল না। এই ধরণের কাল্পনিক অভিযোগ এই আন্দোলনকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেয়। যাঁরা সত্যিই যৌন হেনস্থা ও নির্যাতনে শিকার, তাঁদের বেদনা ও ট্রমাকে ছোট করে দেওয়া হয়। আমার ক্লায়েন্টকে তাঁর আইনি অধিকার এবং এর সমাধান সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যা তিনি সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত অনুসরণ করতে প্রস্তুত।’‌


শনিবার পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে ‘‌মি টু’ অভিযোগ তুলেছেন অভিনেতা পায়েল ঘোষ। টুইট করে সেকথা জানিয়ে মোদিকে ট্যাগ করে পদক্ষেপ নিতেও জানালেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে কঙ্গনা হ্যাশট্যাগও শুরু করলেন ‘‌অনুরাগ কাশ্যপকে গ্রেপ্তার করা হোক।’
পায়েল টুইট করে জানান, ‘‌অনুরাগ কাশ্যপ আমার সঙ্গে জোরজবরদস্তি করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজী, দয়া করে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন। এবং এই প্রতিভাধর মানুষটির মুখোশের আড়ালে যে শয়তান লুকিয়ে রয়েছে তাকে চিনুক দেশ। আমার মনে হচ্ছে, আমার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ। আমাকে সাহায্য করুন।’‌‌ তারপরই দু’‌ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় দেশ। এসমস্ত ঘটনা তখনই ঘটল যখন বিজেপি সমর্থক কঙ্গনা ও বিজেপি বিরোধী অনুরাগের মধ্যে বাকযুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালে যখন বলিউডে মিটু আন্দোলন শুরু হয়, পায়েল ঘোষের একটি আরীবিদ্বেষী টুইট সামনে আসার পরে মানুষের মনে বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হচ্ছে যে এই অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক চাল রয়েছে। সেই টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘‌কেউ ধর্ষণ করেনা। তারা (‌পুরুষেরা) কেবল সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। তোমার না পোষালে তুমি বেরিয়ে যাও সেখান থেকে। সেটা নিয়ে বিরাট নাটক করার কোনও দরকার নেই তারপরে।’‌ মি টু অভিযোগ পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনুরাগ বেশ কয়েকটি টুইট করে জানান যে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ‘‌ভিত্তিহীন’।‌ ‌   

জনপ্রিয়

Back To Top