আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের করোনা পরিস্থিতি ফের মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২.৩৪ লক্ষ সংক্রমণ এবং ১৩০০ মৃত্যুর পরিসংখ্যান স্পষ্টই বলে দিচ্ছে, ২০২০ সালের তুলনায় আরও ভয়াবহ সময় আসতে চলেছে। অথচ, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কিন্তু অনেক স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ছিল। নতুন সংক্রমণ কমছিল প্রতিদিন, বন্ধ হয়ে গেছিল কোভিডে মৃত্যুর ঘটনা। তবে কেন ফের মাথাচাড়া দিল অতিমারি? 
এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন দিল্লির এইমস-এর ডিরেক্টর ডঃ রণদীপ গুলেরিয়া। পরিস্থিতি এতটা ভয়ঙ্কর হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ দেখিয়েছেন তিনি। 
গুলেরিয়া স্বীকার করছেন, সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রবল চাপের মুখে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে অবিলম্বে বেড বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন তিনি। তবে এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেও মানুষের সচেতনতার অভাব বিস্মিত করেছে তাঁকে। যেমন, এখনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেল(পড়ুন কুম্ভমেলা) বিরাট লোক সমাগম হচ্ছে। চলছে একাধিক রাজ্যের নির্বাচন। এইমস কর্তা বলছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে আরেকটু বুঝেশুনে এই কাজ করা উচিত ছিল।
টিকা নিলেই যে ল্যাঠা চুকে যাবে এমন নয়, মত গুলেরিয়ার। কারণ তাঁর মতে, কোনও টিকাই ১০০ শতাংশ কার্যকরী নয়। প্রতিষেধক নিয়েছেন এমন অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন, এমনকী মৃত্যুও হচ্ছে তাঁদের। তাই লকডাউনের সময়ের মতো মাস্ক পরা, দূরত্ববিধি মেনে চলাস্যানিটাইজার ব্যবহার এসব চালিয়ে যেতেই হবে। জানুয়ারিতে সংক্রমণ কমার সঙ্গে সঙ্গে গা ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছিল আমজনতা। যার ফল আজ ভুগতে হচ্ছে।।     
 

Back To Top