আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌  কংগ্রেসশাসিত পাঞ্জাবের পর এবার মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানের বিধানসভাও সিএএ–বিরোধী প্রস্তাব আনতে চলেছে। রবিবার গুজরাটের আহমেদাবাদে এই ঘোষণা করেছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা আহমেদ প্যাটেল। তিনি বলেছেন, ‘‌পাঞ্জাবের পর আমরা রাজস্থান, ছত্তিশগড় এবং মধ্য প্রদেশে সিএএ–বিরোধী প্রস্তাব পাস করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি। যখন এতোগুলি রাজ্য বিধানসভা কোনও প্রস্তাব পাস করে তখন এটা কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা যে তাদের সিএএ নিয়ে পুনর্বিচারের সময় এসেছে।’‌ তাঁর এই ঘোষণায় কংগ্রেস কর্মী–সমর্থকদের মধ্যেই বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।
কারণ শনিবার কেরলের কোজিকোডে একটি সাহিত্য উৎসবে যোগ দিয়ে আরেক কংগ্রেস শীর্ষ নেতা তথা প্যাটেলের বর্ষীয়ান সহকর্মী, কপিল সিবাল স্পষ্ট আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘‌সাংবিধানিকভাবে এটা যে কোনও রাজ্য সরকারের পক্ষে কঠিন বলা যে তারা সংসদে পাস হওয়া কোনও আইন মানবে না।’ এনপিআর–এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া এনআরসি প্রয়োগের সময় রাজ্যের নিয়োজিত কোনও অফিসারই স্থানীয় রেজিস্ট্রার তৈরি করবেন। সেক্ষেত্রে রাজ্য বলতেই পারে তারা কোনও অফিসারকে কেন্দ্রের সহায়ক হতে দেবে না। তবে সেটা বাস্তবে সম্ভব কিনা তা নিয়ে ধন্দপ্রকাশ করেছিলেন পেশায় আইনজীবী সিবাল। এরপর রবিবার টুইটারে তিনি ফের লেখেন, ‘‌প্রত্যেক রাজ্যের সাংবিধানিক অধিকার আছে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রস্তাব পেশ করা। তবে যদি সুপ্রিম কোর্ট সেই আইনকে সাংবিধানিক আইন বলে ঘোষণা করে তাহলে তার বিরোধিতা করা শক্ত।’‌
প্যাটেল এদিন আরও বলেছেন, সারা দেশে যেভাবে কোনও রাজনৈতিক ব্যানারের বাইরে আন্দোলন চলছে তাতে এব্যাপারে কেন্দ্রের পুনর্বিচার করা জরুরি। প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ তারিখ থেকে শুরু হতে চলা রাজস্থান বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেই সিএএ–বিরোধী প্রস্তাব আনতে চলেছে অশোক গেহলটের সরকার। দেশে সর্বপ্রথম বিধানসভায় সিএএ–বিরোধী প্রস্তাব পাস করে সেটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেরল সরকার। তারপর পাঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র বিধানসভাও এই প্রস্তাব পাস করেছে।
ছবি:‌ এএনআই  

জনপ্রিয়

Back To Top