আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি‌!‌ দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ কর্মসূচী শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই আরোগ্য সেতু অ্যাপের মাধ্যমে ২৯ লাখ নাগরিক নিজেদের নাম নথিভুক্ত করে ফেলেছেন। ভ্যাকসিন নিতে নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ দেখে স্বভাবতই খুশি কেন্দ্রীয় সাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের ২৭ কোটি মানুষকে কোভিড টিকা দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে কেন্দ্রীয় সাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে। কেন্দ্রীয় সাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের কথায়, ‘‌আরোগ্য সেতুর পাশাপাশি কো–উইন অ্যাপের মাধ্যমেও নাগরিকরা নাম নথিভুক্ত করছেন টিকা নেওয়ার জন্য। মানুষের মধ্যে টিকা নেওয়ার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। কো–উইন অ্যাপের নতুন মডেলে আবার স্পট রেজিস্ট্রেশন–এর সুবিধা থাকায় সারা দেশের বহু মানুষই টিকাকরণ কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করছেন। এই পর্যায়ে ১০ হাজার সরকারি হাসপাতাল এবং ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মিলবে কোভিডের টিকা। কো–উইন অ্যাপের কিছু তথ্য নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে কোভিড টিকা দেওয়া নিয়ে কিছু সমস্যা হলে তা মেটাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে মিটিং করে একটি সুনির্দিষ্ট পরিল্পনা নেওয়া হবে। যথেষ্ট পরিমাণে ইতিমধ্যেই সারা দেশের ১.‌৫ লাখের কাছাকাছি ষাটোর্ধ্ব অর্থাৎ বয়স্ক মানুষরা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছেন। সরকারি হাসপাতালগুলির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও এই পর্বে দেওয়া হচ্ছে কোভিডের টিকা।’‌ উল্লেখ্য, এই পর্বে ষাটোর্ধ্বদের এবং ৪৫ বছর বয়সীদের যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদেরকে টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোমর্বিডিটি রোগীদের ক্ষেত্রে শুধু নাম নথিভুক্ত করলেই হবে না টিকা প্রয়োগের আগে তাঁদের চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিয়ে এসে টিকাকরণকেন্দ্রে জমা করতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন স্তরের সাস্থ্যকর্মীদের যাঁদের এখনও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি তাদেরকেও টিকা দেওয়া হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top