আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সেই ৭ ফেব্রুয়ারি আচমকা বরফ ধস উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায়। তার জেরে অলকানন্দা এবং ধৌলিগঙ্গা নদীর জলস্তর বেড়ে হড়পা বান হয়। নিখোঁজ হন প্রায় ২০০ জন। ৬০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে ১৩৬ জনের এখনও কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের এবার মৃত ঘোষণা করা হবে বলে জানাল প্রশাসন।
হড়পা বানের সেই ঘটনায় চামোলি জেলার পাঁচটি সেতু জলস্রোতে ভেসে গেছে। ঋষিগঙ্গা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিশ্চিহ্ন। বিপুল ক্ষতি হয়েছে তপোবন–বিষ্ণুগড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। ওই টানেলে আটকে ছিলেন অন্তত ৩৬ জন শ্রমিক। কয়েক জনের দেহ উদ্ধার হলেও খোঁজ মেলেনি বেশিরভাগের। 
এখনও যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে আইটিবিপি, সেনা, বায়ুসেনা, নৌসেনা। তবে কারও বেঁচে থাকার আশা নেই উদ্ধারকারীদের। নিখোঁজ ১৩৬ জনের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ডেকেছে প্রশাসন। 
এমনিতেই উত্তরাখণ্ডে ধস, হড়পা বান প্রায় ঘটে থাকে। ভূতত্ত্ববিদদের একাংশের মতে, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ইচ্ছেমতো রাস্তা সম্প্রসারণ ও নির্মাণের জন্য এই বিপর্যয়। এজন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প তৈরির আগে ভাবনাচিন্তা করা উচিত বলে মত তাঁদের। ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে মারা গেছিলেন ৫,৭০০ জন। পরিবেশবিদদের মতে, এখনও সাবধান না হলে আবার হতে পারে এ রকম বিপর্যয়। 

জনপ্রিয়

Back To Top