আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অনেকেই ভয় পাচ্ছিলেন। অনেকের মনে কিন্তু কিন্তু ছিল। এসব দেখে এগিয়ে এলেন তিনি। কর্তাদের বললেন তাঁকেই প্রথম টিকা দেওয়া হোক। হলও সেটাই। তিনি মণীশ কুমার। দিল্লির এইমস–এর এক সাফাইকর্মী। দেশে প্রথম করোনার টিকা পেলেন তিনিই। 
শনিবার দেশের ৩০০০ কেন্দ্রে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। লক্ষ্য ছিল, তিন লক্ষ জনকে দেওয়া হবে টিকা। যদিও শেষ পর্যন্ত পেলেন এক লক্ষ ৯১ হাজার জন। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ঐচ্ছিক হওয়ায় অনেকেই টিকা নিতে চাননি। তাই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যায়নি। যদিও সরকারি অফিসাররা জানিয়েছেন, টিকা নেওয়ার পর কারও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর মেলেনি। 
মণীশ কুমারের অবশ্য প্রথম থেকেই টিকার কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সংশয় ছিল না। বললেন, ‘‌অনেক কর্মী খুব ভীত ছিলেন। আমি সিনিয়রদের গিয়ে বলি, আমাকেই প্রথম টিকা দেওয়া হোক। আমি সহকর্মীদের কাছে প্রমাণ করতে চাই, যে টিকা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমার স্ত্রীও টিকা নিতে বারণ করেছিলেন। আমি ওঁকে বোঝাই, এটা শুধুই একটা ইনজেকশন।’‌ 
প্রধানমন্ত্রী অবশ্য শনিবারই টিকা নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। বলেন, ‘‌আমাদের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা ভারতে তৈরি দু’‌টো টিকা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই অনুমোদন দিয়েছেন। তাই গুজব, ভুল তথ্য থেকে দূরে থাকুন।’‌ তাঁর কথায়, ‘‌আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, টিকার দু’‌টি ডোজ গুরুত্বপূর্ণ। একটা ডোজ নিয়ে দ্বিতীয়টি ভুলে গেলে চলবে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়েছেন, দু’‌টি ডোজের মাঝে এক মাসের ফাঁক থাকা জরুরি।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top