আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নতুন আইন প্রনয়ণের প্রয়োজন। চীনা ফার্মগুলিকে সাহায্য করার পেছনে যে আইনগুলি কাজ করত, সেগুলি পুরনো হয়ে গিয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার কারণে নতুন আইনের প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকারী জানালেন। এর আগে ভারত সরকারের ‘‌বয়কট চীন’‌–এর বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে বেজিং।
সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী বলেছিলেন যে ভারতের হাইওয়ে প্রকল্পগুলিতে চীনা সংস্থাগুলি টাকা ঢালতে পারবে না। তারপর শুক্রবার বিদ্যুৎমন্ত্রক জানিয়েছে, চীন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সরঞ্জাম এবং উপাদান আমদানির জন্য ভারতীয় সংস্থাগুলিকে সরকারের থেকে অনুমতি নিতে হবে।
গত মাসের ভারত ও চীনের সীমান্ত সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ান প্রাণ দেওয়ার পরেই ‘‌বয়কট চীন’‌ রব উঠেছে। জাতীয়তাবাদের প্রতীক হিসেবে সমস্ত চীনা দ্রব্য বর্জনের ডাক এসেছে গোটা দেশ থেকে। আর তারপরেই জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সম্প্রতি ভারত সরকার চীনের ৫৯ টি অ্যাপ ভারতে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। 
চীনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নীতিন গডকরি বলেছেন, ‘‌বিভিন্ন কারণে, যেমন একটি সংস্থার কাজের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা কতদিনের। বা বলা যায়, তাদের আর্থিক সামর্থ্য কতটা, সেসব দিক বিচার করে এতদিন বঞ্চিত রাখা হয়েছিল ভারতীয় উদ্যোক্তা এবং ঠিকাদারদের। আর তাই তারা এতদিন সরকারি চুক্তির সুযোগ পায়নি। তাদের উৎসাহ দেওয়া এই সিদ্ধান্তের অন্যতম একটি লক্ষ্য। বড় হাইওয়ে বা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে আমাদের নিয়ম ছিল, কেবলমাত্র সেই সংস্থাগুলিই এগিয়ে আসতে পারবে, যারা আগে এরকম বড় কোনও প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেইসমস্ত নিয়মে এবার বদল আনতে হবে।’‌
এছাড়া তিনি জানালেন, আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের সঙ্গে কোথাও যেন চীনের সঙ্গে এই সমস্যাকে মিলিয়ে না ফেলা হয়। গোটা বিশ্বে ভারতকে আরও জোরদার স্থানে দাঁড় করাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ। প্রযুক্তিগত সমস্ত যোগ্যতা আমাদের কাছে রয়েছে। অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়াতে হবে। দু’‌মাস আগে চীন থেকে আমাদের সুরক্ষামূলক পোশাক আমদানি করতে হয়েছিল। আর আজ?‌ প্রতিদিন ৫ লক্ষ সুরক্ষামূলক পোশাকের কিট তৈরি করা হয় এদেশে। তার মান তুলনায় অনেক ভাল।    
 

জনপ্রিয়

Back To Top