আজকালের প্রতিবেদন: আত্মহত্যার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। মহিলা, পুরুষ, স্কুল–‌কলেজের পড়ুয়া— সকলের মধ্যেই এখন বেড়ে চলেছে এই প্রবণতা। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিবাহবিচ্ছেদের ফলে, মাদকাসক্তির কারণে, প্রচণ্ড মানসিক অবসাদ, সাংসারিক অশান্তি, দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা, অত্যধিক পড়াশোনার চাপ, বিপত্নীক পুরুষ— এই রকম ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা বার বার তৈরি হয়। এ ধরনের প্রবণতা কমাতে সমাজকেই সচেতন হতে হবে। তঁাদের পাশে দঁাড়াতে হবে। মঙ্গলবার বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এই বার্তা দিলেন মনোচিকিৎসকেরা। এদিন মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের উদ্যোগে শোভাবাজারে একটি সচেতনতামূলক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। স্কুল‌পড়ুয়ারা যোগ দেয়। সংস্থার সম্পাদক ডি আশিস বলেন, ‘‌মানুষ একা থাকলে বেশি করে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। সমাজে এ–‌রকম মানুষ দেখলে তঁাদের পাশে দঁাড়ানো উচিত। একাকিত্বে ভুগলে, ঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে আটকানো যেতে পারে আত্মহত্যা। যঁারা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন, তঁাদের কাছে পৌঁছোলে, বন্ধুত্ব করলে, বোঝালে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।’‌ ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর রিপোর্ট জানাচ্ছে, ফি–‌বছর পৃথিবীতে ১০ লক্ষ মানুষ আত্মঘাতী হন। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন আত্মহত্যা করেন। প্রতি তিন সেকেন্ডে একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন ৩৯ জন আত্মহত্যা করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ২০২০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ আত্মহত্যা কমিয়ে আনতে ১৯৪টি দেশ সহমত হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top