আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মাতৃত্বকালীন ছুটি রয়েছে। টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি তো পিতৃত্বকালীন ছুটিও চেয়ে নিয়েছেন। কিন্তু মহিলাদের পিরিয়ডের সময় অধিকাংশ দেশেই ছুটির কথা বলা থাকলেও তা কার্যকর হতে দেখা যায় না। এবার সম্ভবত সেটাই হতে চলেছে। 
জাপানের একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থায় কর্মরত সাচিমি মোচিজুকি। দু’‌দশকের বেশি কাজ করলেও পিরিয়ড চলাকালীন একটিবারের জন্যও ছুটি নেননি তিনি। অথচ জাপানে পিরিয়ডের জন্য ছুটি ৭০ বছর আগেই চালু হয়েছে। যদিও মোচিজুকির কাছে পিরিয়ড বড় অসুবিধা নয়। কিন্তু অনেক মহিলাদের কাছেই তা গুরুতর অসুবিধা। তবে এই অসুবিধার কথা পুরুষদের সামনে বলতে অনেকেই লজ্জা পান। তাই পিরিয়ডের জন্য ছুটি নেওয়াও হয় না। মোচিজুকির কথায়, ‘‌বিষয়টা একান্তই ব্যক্তিগত। বিশেষত জাপানে।’‌
তবে শুধু জাপান নয়, দক্ষিণ কোরিয়াতেও ১৯৫৩ থেকে পিরিয়ডের জন্য ছুটি চালু হয়েছে। এমনকি চীন, ভারতও এই ছুটি এখন বাধ্যতামূলক করার দিকে এগিয়েছে। কিন্তু চিত্রটা সব জায়গায় এক নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন বা ইওরোপের বিভিন্ন দেশে পিরিয়ডের জন্য কোনও ছুটির চল নেই। আবার যে সমস্ত দেশে এই ছুটি চালু আছে, সেখানে নিন্দুকেরা নানা প্রশ্ন তোলেন। 
২০১৭ সালে জাপানের একটি সরকারি সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র ০.‌৯ শতাংশ মহিলা এই ছুটি চান। দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০১৩ সালে সংখ্যাটা ছিল ২৩.‌৬ শতাংশ। ২০১৭ সালে তা আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.‌৭ শতাংশে। 
অসুবিধা হচ্ছে অনেক মহিলাই জানেন না যে পিরিয়ড ছুটি রয়েছে। আবার অনেক মহিলা অনুরোধ করলে এই ছুটি পান। বাধ্যতামূলক নিতে পারেন না। তাছাড়া সামাজিক অসুবিধা আছে। জাপানে যেমন অনেক মহিলাই মাতৃত্বকালীন ছুটি চাইতে গিয়ে চাকরি খুইয়েছেন। তাই অনেকে ভয়ে ছুটি চান না।
ভারতে আবার অন্য অসুবিধা। পিরিয়ড ছুটি থাকলেও তা দিতে চায় না অধিকাংশ সংস্থাই। কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে অনিচ্ছুক সংস্থাগুলি। 

জনপ্রিয়

Back To Top