আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌এ বছরের বিশ্বকাপ ফুটবল কে জিতবে বা কার ঝুলিতে কতগুলি গোল প্রাপ্য হবে এ সবের উত্তর জানতে দেরি থাকলেও, এ দেশের পিৎজা এবং বিয়ার প্রস্তুতকারক সংস্থা ইতিমধ্যেই শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে তা জানতে একটুও দেরি নেই। আর তা হবে নাই বা কেন, খেলা চলাকালীন পিৎজা, বিয়ার এই দু’‌টো খেতে যে মন্দ লাগে না তা বলাই বাহুল্য। আইপিএল ক্রিকেটেও দেখা গিয়েছে, পিৎজা এবং বিয়ারের চাহিদা ছিল সবচেয়ে তুঙ্গে। এই ট্রেন্ড বজায় রয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবলেও। ফুটবল দেখার সময় অনেকেই পছন্দ করছেন বিয়ার এবং পিৎজা খেতে। মে মাসে শেষ হয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। দেখা গিয়েছে, জুবিলিয়ান্ট ফুডওয়ার্কাস যাদের স্থানীয় ফ্র‌্যানচাইজি হল ডমিনোজ পিৎজা এবং কিংফিসিয়ার বিয়ারের বিক্রি সেই সময় বেড়ে গিয়েছিল। 
জানা গিয়েছে, জুবিলিয়ান্ট এ বছরের এপ্রিল মাসে ১৯ শতাংশ বেশি লাভ করেছে। যা কয়েক বছর ধরে বেশ মন্দায় চলছিল। সমীক্ষায় পাওয়া গিয়েছে, আইপিএল চলার সময় ৭০ শতাংশ গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে ডমিনোজে। পিআরবি সিকিউরিটিস লিমিটেডের ডিরেক্টর রাজেন্দ্র ওয়াধার বলেন, ‘‌দীর্ঘদিন ধরে চলা খেলার মরশুমই পিৎজা এবং বিয়ারের চাহিদাকে মানুষের মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতের নতুন প্রজন্ম তাঁদের উচ্চ আয়কে এভাবে ফাস্ট ফুড এবং মদ্যপানে ব্যয় করছে। ম্যাচের সময় রেস্তোরাঁগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিড় নজরে আসে। কারণ এখন অধিকাংশ রেস্তোরাঁতেই টিভি রয়েছে।’‌ 
বিশ্লেষক মনোজ গোরি এবং ধাবাল দামা বলেন, ‘‌আমরা একন বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রাথমিক স্তরে রয়েছি, ম্যাচের উত্তেজনা যত বাড়বে ততই ফাস্টফুট ও বিয়ারের চাহিদা বেড়ে চলবে। পিৎজা অর্ডারও বাড়বে, তার সঙ্গে বিয়ার কেনার প্রবণতাও।’ কিংফিসিয়ার বিয়ার সংস্থা এপ্রিল পর্যন্ত ২৫ শতাংশ লাভ করেছে বলে জানা গিয়েছে। জুন মাসে এখনও পর্যন্ত ১২ শতাংশ লাভ করেছে, যা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ‌   

জনপ্রিয়

Back To Top