আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পরিবেশ দূষণ নিয়ে এখন প্রচারের শেষ নেই। দিনের পর দিন এই নিয়ে সরকারি বেসরকারি ক্ষেত্রের একাধিক সংগঠন প্রচারে নেমেছে। তবু অনেকেরই ফেরেনি হুঁশ। তবু নিঃশব্দে পরিবেশ রক্ষার কাজ করে চলেছেন অনেকেই। তেমনই পাঁচটি পরিবারের তালিকা দেখে নিন। 
• মুম্বইয়ের মুগ্ধা যোশি, তাঁর স্বামী তন্ময় যোশি ও ছেলে কবীর যোশি মিলে গড়ে তুলেছেন এক আশ্চর্য অভ্যাস। তাঁরা প্লাস্টিকের কোনও দ্রব্যই ব্যবহার করছেন না। প্লাস্টিকের টুথব্রাশের বদলে তাঁরা ব্যবহার করছেন বাঁশের তৈরি টুথব্রাশ। প্লাস্টিকে মোড়া সাবানের বদলে ব্যবহার করছেন এমনি সাবান ও শ্যাম্পু। 
• জাপানের এরি সাতো পরিবারও এই রাস্তাই নিয়েছেন। এরি জানিয়েছেন, কার্বন ফুট প্রিন্ট কমাতে গেলে প্লাস্টিকের ব্যবহার অবশ্যই কমাতে হবে। তাই আমরা সতর্ক আছি। আমাদের পরিবারে রোজকারের জীবনে আমরা সর্বদা এড়িয়ে চলি প্লাস্টিকের ব্যবহার। জামা কাপড়ের প্যাকিং থেকে শুরু করে সব কিছুতেই প্লাস্টিকের ব্যবহার তাঁরা কমিয়েছেন। 
• ইজরায়েলের তেল আভিবে অবস্থিত তাতিয়ানা স্নিতকে ও তাঁর পরিবারও অনেকটা কমিয়ে দিয়েছেন প্লাস্টিকের ব্যবহার। তাঁরা বলছেন, এখন সমস্ত দ্রব্যই প্লাস্টিকে মুড়ে আনা হয়। কোনও শপিং মলে কিছু কিনতে গেলেই তা প্লাস্টিকে দেওয়া হয়। তাই আমরা যত সম্ভব কম জিনিস কিনি। কিনলেও তা খুচরো কিনি, প্যাকেটজাত নয়। 
• নেপালের রোশনি শ্রেষ্ঠা ও ইন্দ্রলাল শ্রেষ্টার পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে প্লাস্টিক ব্যবহার করছেন না। তাঁরা জানিয়েছেন, কোনও দোকানে প্লাস্টিক দেওয়া হলে তা তাঁরা দোকানদারকে ফিরিয়ে দেন আবারও ব্যবহার করার জন্য। এছাড়া, প্লাস্টিকের তৈরি থালা, চামচও তাঁরা ব্যবহার করছেন না। 
• স্কটল্যান্ডের ডাউনি পরিবারও ছেড়েছেন প্লাস্টিকের ব্যবহার। তাঁরা সরাসরি একথা স্বীকার করে নিয়েছেন, যে প্লাস্টিক অনেক কম পয়সার পাওয়া যায়। তাই নির্মাতারা সেটিই ব্যবহার করে থাকেন, কিন্তু তার একটা বিকল্পও খুঁজে বের করা দরকার। তাহলেই পৃথিবী প্লাস্টিক মুক্ত হতে পারবে ।

জনপ্রিয়

Back To Top