রাজীব ঘোষ 
ইয়াওৎচা। বারবার যেতে প্রাণ চায়। এবার সুখ রবিবারের খানায়। সুপ্রিম সানডে ব্রাঞ্চ। রবিবাসরীয় ভুরিভোজ। দুপুর বারোটা থেকে বিকেল চারটে। ভেবেচিন্তেই নির্ঘাত। যা দেখলাম বারবেলাতে শুরু করাই ভাল। নাহলে শেষ করা দুষ্কর হবে। পানীয় দিয়ে শুরু। বিয়ার বা ওয়াইন। নাহলে কিউয়ি আর লাইম দিয়ে আইসড টি। ইয়াওৎচার চায়ের সুখ্যাতি করে করে আমি ক্লান্ত হই না, তাই আবার বলি, চেয়ে নিন চা। চায়ের যা যা গুণের কথা জানেন পাখিপড়া পড়ে যেতে পারেন, চুমুক দিলেই উপলব্ধি করতে পারবেন। শরীর জুড়িয়ে যাবে, খুলে যাবে স্বাদকোরক। ডিমসামের জন্যই অসামান্য ইয়াওৎচা, খাওয়া শুরু ভাপানো ডিমসামে।

পোর্ক ওর প্রনের সুইমাই, হার গাউ। তোফা। চিকেন আর ধনে পাতার ডাম্পলিং খাসা। তেল নেই,মশলা ওই নামমাত্র,তাই চায়ের সঙ্গে ‘‌টা’‌–‌ এর মতোই খাওয়া,আইঢাই করার প্রশ্নই নেই। এর পরের পদ আর এক পর্দা ওপরে, ভাজা ডিমসাম। তিলে মোড়া বান রুটির পেটে পোর্ক। দারুন। পরেরটি ডাক রোল, মুচমুচে হাঁসের মাংস। চিকেন আর প্রনের ডাম্পলিং কিংবা তিল দিয়ে প্রনের টোস্ট একান্তই ইয়াওৎচা–‌র নিজস্ব উদ্ভাবন,এবং অসামান্য। শেষে ভাত। জাসমিন রাইস। সঙ্গে স্টার ফ্রাই ক্নে পট চিকেন। চমৎকার ধূম্রগন্ধী। এরপর মিঠে। থাক কিঞ্চিৎ রহস্য। শুধু বলি, সাদা পরতের ওপর চামচ চালালেই বেরিয়ে আসবে আম। অপূর্ব।

জনপ্রিয়

Back To Top