রাজীব ঘোষ

জামাইকে খাইয়ে কুপোকাত করতে না পারলে শাশুড়ির শান্তি হয় না। স্বাদের কেরামতি উপরি পাওনা। তাক লাগাতে গেলে ট্যাঁকের টাকা খসবে বিস্তর। হ্যাপা কম নয়। শাশুড়ির স্নেহের উৎপাতের ঠেলায় আধুনিক জামাইরা কোনও হোটেলেই ওই পর্বটি সেরে ফেলতে বেশি স্বস্তি পেয়ে থাকেন। গেটওয়ে হোটেলে রাজবাড়ির রান্না চমৎকার হাজির করেছেন শেফ দীপ মিত্র ঠাকুর। পাতে ভেটকি আর চিংড়ির মিশেলে তৈরি চপ, নাকি অকৃত্রিম মোচার চপটি,সত্যি বলছি বেছে নেওয়া দুষ্কর। চমৎকার। মোচার চপে কামড় দিলেই নারকেলের বৈভব, এরপরে মহার্ঘ চিজ কোথায় লাগে!‌ গেটওয়ে–‌র এবার রাজবাড়ির খাওয়া–‌দাওয়ার দ্বিতীয় পর্ব, দুধ–‌ইলিশ আর নবাবি পোলাও এই পর্বের মধ্যমণি। মুর্শিদাবাদী এই পোলাওকে বিরিয়ানি বললেও কেউ আপত্তি করবেন না, থেঁতো করা মামস তুলো–‌তুলতুলে, ঘিয়ের সুবাস মনকাড়া। গোটা মশলা দিয়ে দিশি মুরগি, নাকি গুমো আঁচের মাংস?‌ একালের জামাইরা ভারি আতান্তরেই পড়বেন। আমার পছন্দ অবশ্য রসুন–‌ভাপা ভেটকি, কলাপাতায় মুড়ে আসবে পাতে, সাদা ভাতের সঙ্গে জমবে দারুন। দই–‌এঁচোড়, পেঁয়াজ–‌পোস্ত-‌ নিরামিষ পদের লিস্টিও লোভনীয়।

জনপ্রিয়

Back To Top