আজকালের প্রতিবেদন: কলকাতার বাতাসে–‌থাকা মারাত্মক দূষণ কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ। অত্যধিক দূষণে বাড়ছে হঁাপানি, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (‌সিওপিডি)‌, ফুসফুসে ফাইব্রোসিস শক্ত হয়ে ইন্টারস্টিটিয়াল লাং ডিজিজ (‌আইএলডি)‌, ফুসফুসে ক্যান্সার। সিওপিডি রোগীদের শীতের সকালে না হেঁটে, রোদ উঠলে একটু বেলায় হঁাটতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ সকালে দূষণের মাত্রা বেশি থাকে, যা বয়স্কদের ক্ষেত্রে মারাত্মক। ‌‌বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রাজা ধর জানিয়েছেন, ‘‌বাতাসে মারাত্মক দূষণের জেরে শিশুদের ফুসফুস পরিণত হচ্ছে না। এ বছর অক্টোবর থেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের ভিড় ১০ গুণ বেড়েছে। এদের মধ্যে প্রচুর শিশু।’‌ বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরূপ হালদার জানান, বাতাসে ধুলো ও কার্বন–‌কণার পরিমাণ বেশি থাকলে সিওপিডি হয়। সাধারণত ৪০ বছরের পর সিওপিডি হয়, তবে জিনগত কারণে আলফা–১ অ্যান্টিট্রিপসিন এনজাইম কম থাকলে ২০ থেকে ৪০–‌এর মধ্যেও এই রোগ হতে পারে। আবার ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের যাঁরা কখনও ধূমপান করেননি, তাঁরাও সিওপিডি–‌র শিকার হচ্ছেন।‌ ধূমপান, বায়ুদূষণ, যানবাহনের ধোঁয়া, মশার ধূপ, ধূপকাঠির ধোয়া থেকেও এখন বাড়ছে এই রোগ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কাশি, শ্বাসকষ্ট বাড়লে, ঝিমিয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। বাড়িতে গাছ লাগালে, এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করলে, বাইরে এন৯৫ মাস্ক পরে বেরোলে খানিকটা প্রতিরোধ সম্ভব।‌

জনপ্রিয়

Back To Top