আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বাবুলকাণ্ডের পর ফের একবার যাদবপুর গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। আর শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কোর্ট মিটিংয়ে অংশ নিতে গিয়ে উস্কে দিলেন নয়া বিতর্ক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে কাদের ডি–লিট এবং ডিএসসি দেওয়া হবে? সেই নিয়েই তৈরি হয় জটিলতা। সূত্রের খবর, প্যানেলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে প্রথমে ‘‌সহমত’‌ হননি আচার্য। কর্তৃপক্ষের তৈরি তালিকা নিয়ে নিজের মত জানাতে চাননি রাজ্যপাল। নামগুলি নিয়ে আলোচনার কথাও বলেন। এমনকি রাজভবনে গিয়ে আচার্য জগদীপ ধনকর নিজের পছন্দের তালিকা পেশ করতে পারেন বলেও শোনা যায়। কিন্তু অধ্যাপকরা দাবি করেন, রাজ্যপাল যাতে বৈঠকেই নিজের মত জানান। পরে কর্তৃপক্ষ মনোনীত ৪টি নামেই অবশ্য সম্মতি জানান আচার্য ধনকর। এদিন রাজ্যপালের আগমন উপলক্ষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সাদা পোশাকে পুলিশ ঘুরতে দেখা যায়। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, তারা পুলিশ ডাকছে না। কিন্তু পুলিশ নিজে থেকে কিছু করতে চাইলে করতে পারে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা পাওয়ার পর এই প্রথম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এলেন রাজ্যপাল। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে রাজ্যপালের কনভয়। অরবিন্দ ভবনে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।
প্রসঙ্গত, রাজ্য–রাজ্যপালের মধ্যে সংঘাতের সূত্রপাত এই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই। এবিভিপি আয়োজিত নবীনবরণ উত্‍সবে যোগ দিতে এসে পড়ুয়াদের হাতে ঘেরাও হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর চুল টেনে, জামা ছিঁড়ে, তাঁকে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। ধাক্কাধাক্কিতে পড়েও যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পরবর্তীতে রাজ্যপাল নিজে এসে পড়ুুয়াদের ঘেরাটোপ থেকে বাবুলকে উদ্ধার করেন। পরে বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরনোর সময়ও দীর্ঘক্ষণ পড়ুুুয়াদের হাতে ঘেরাও হয়ে থাকে রাজ্যপালের গাড়িও। শেষে অন্য গেট দিয়ে রাজ্যপালের কনভয়কে বের করে দেয় পুলিশ। এদিন যাতে সেরকম কোনও ঘটনা না ঘ‌টে আগে থেকেই তাই পড়ুয়াদের সতর্কও করে দিয়েছিলেন যাদবপুরের উপাচার্য এবং শিক্ষকরা।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top