অংশু চক্রবর্তী—গোটা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে পুরুষ এবং মহিলাদের সাক্ষরতার হার বেশি। পড়ুয়াদের সংখ্যাও বাড়ছে। ৮ সেপ্টেম্বর, শনিবার ৫২তম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। এ বছর সাক্ষরতা দিবসের মূল লক্ষ্য ‘সাক্ষরতা ও দক্ষতার বিকাশ’‌। রবীন্দ্র সদনে ওই দিন অনুষ্ঠানে থাকবেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে, নারী ও শিশু এবং সমাজ কল্যাণ বিভাগের মন্ত্রী ডা.‌ শশী পাঁজা, সাংসদ সৌগত রায়, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শ্যামল সেন এবং গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি। সকাল সাড়ে ১০টায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে একটি পদযাত্রাও হবে। এই লক্ষ্যে সব মানুষকে সামিল করে, রাজ্যকে পূর্ণ সাক্ষর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মুর্শিদাবাদ, মালদা, ২ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমে সাক্ষরতা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। 
রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে রাজ্যে সাক্ষরতার হার গোটা দেশের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সাক্ষরতা খাতে টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। রাজ্যই প্রয়োজনীয় অর্থ দিচ্ছে। দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকদের নিরলস প্রচেষ্টা সফলতা এনেছে।’‌ তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণে এখনও বিশেষ কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেননি।
২০১১–র আদমসুমারি অনুযায়ী, দেশে মোট সাক্ষরতার হার ৬৯.‌২৮ শতাংশ। সাক্ষর পুরুষের হার ৭৮.‌৮৪, সাক্ষর মহিলার হার ৫৯.‌২৬ শতাংশ। এই রাজ্যে মোট সাক্ষরতার হার ৭৬.‌২৬ শতাংশ। সাক্ষর পুরুষের হার ৮১.‌৬৯, সাক্ষর মহিলার হার ৭০.‌৫৪ শতাংশ। কলকাতায় মোট সাক্ষরতার হার ৮৬.‌৩১ শতাংশ। সাক্ষর পুরুষের হার ৮৮.‌৩৪, সাক্ষর মহিলার হার ৮৪.‌০৬ শতাংশ। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top