আজকালের প্রতিবেদন: দুই বন্ধুর বিয়ে হল একই দিনে, একই ছাদনাতলায়। দুই বন্ধু আবার একই বাড়ির বাসিন্দা। তবে বিয়ের পর এক বন্ধু কলকাতা ছেড়ে চলে যাবে দিল্লি। এক শহরে থাকলে দেখা করা যেত সহজে, চলত আড্ডা। এখন তো তা হওয়ার নয়। তাই অন্য বন্ধুর মন খারাপ। আর তাঁরই মতো মন খারাপ বাড়ির অন্যদেরও। তবে সে সব ভুলে দুই বন্ধুর বিয়ে ঘিরে রবিবার সেজে উঠেছিল বেহালার সখেরবাজারের ভয়েস অফ ওয়ার্ল্ড। বাড়ির মেয়ের বিয়ে বলে কথা। সেখানেই আরও অনেকের সঙ্গে বেড়ে উঠেছিলেন ছুটকি এবং নূপুর। এবার নিজের ঘর ছেড়ে পরের ঘরে নতুন জীবন শুরু। বাড়ি থেকে দূর বটে, কিন্তু যোগাযোগ তো থাকবেই। ভয়েস অফ ওয়ার্ল্ডে থাকেন ৮৬ জন আবাসিক। তাঁরা সকলেই দৃষ্টিহীন। সেখানেই তাঁদের লেখাপড়া শেখা। অনিকেত, সহায়–সম্বলহীন ওই ৮৬ জন স্বাবলম্বী হওয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ঊষর। 
এদিন ভয়েস অফ ওয়ার্ল্ড ভবনে দুই মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে হইহই ব্যাপার। রীতি, রেওয়াজ মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান। অতিথিদের জন্য সুস্বাদু খাওয়াদাওয়ার আয়োজন। ছুটকির স্বামী রাজেন্দ্রকুমার শর্মা দিল্লির স্কুলশিক্ষক। আর নূপুরের স্বামী সৈকত থাকেন বাগুইআটিতে। তিনি নবদিগন্তে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী।‌

জনপ্রিয়

Back To Top