আজকালের প্রতিবেদন: কংগ্রেসের ডাকা ভারত বন্‌ধের বিরুদ্ধে মিছিল করবে তৃণমূল। অন্যদিকে, বন্‌ধের সমর্থনে রাস্তায় নামছে কংগ্রেস এবং সিপিএম–সহ বাম দলগুলি। 
রবিবারের খবর, পেট্রোপণ্যের অনবরত মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হরতালের সময় সিপিএম বিক্ষোভ করবে পেট্রল পাম্পগুলির সামনে। পোড়ানো হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুল। তবে কোথাও কোনও ‘পিকোটিং’ হবে না। বামপন্থী দলগুলির ডাকা হরতাল সর্বাত্মক সফল করার ডাক দিয়েছে সিটু। কলকাতাতেও সিপিএম–সহ ৬টি দল মিছিল করবে। সকাল ১০টায় এন্টালি থেকে মিছিল শুরু হবে। যাবে মল্লিকবাজার পর্যন্ত। অন্য একটি মিছিল যাবে লেক মার্কেট থেকে হাজরা পর্যন্ত। কলকাতার অন্যত্রও মিছিল হবে। বামশরিক ফরওয়ার্ড ব্লক অবশ্য হরতালে থাকছে না। এ নিয়ে ফ্রন্টের অন্দরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। 
বন্‌ধ সমর্থন না করলেও ধর্মঘটের  বিষয়গুলিকে সমর্থন করেছে তৃণমূল। সেই সূত্রেই মৌলালি থেকে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করবে তৃণমূল। এদিন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি বলেছেন, ‘‌কর্মনাশা বন্‌ধে তৃণমূল নেই। তবে জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আমাদের মিছিল হবে। প্রতিবাদও চলবে। রাস্তার একপাশ দিয়ে মিছিল যাবে। গত ৪ বছর ধরে বিজেপি জনবিরোধী নীতি নিয়ে চলেছে। তাই আর এক মূহূর্তও ওদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।’‌ এদিন কৃষ্ণনগরেও এক সভায় পার্থ বলেছেন, বন্‌ধে তাঁরা ৯৯ শতাংশ হাজিরা চান।  
ছাত্রছাত্রীদেরও তৃণমূলের মিছিলে সামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন পার্থ। তাঁর কথায়, ‘‌২০১১–‌র পর বাংলায় মমতা ব্যানার্জি বন্‌ধ–ধর্মঘট ডাকেননি। আমরা মনে করি, বন্‌ধে কর্মদিবস নষ্ট হয়। যারা সোমবার রাজ্য অচল করতে চাইছে, তাদের বিরুদ্ধে জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। অফিস খোলা থাকবে। যানবাহন চলবে।’ ‌পার্থ আরও বলেছেন, ‘‌আমরা মনে করি, বন্‌ধ কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে না।’‌ 
রাস্তায় নেমে মিছিল করলেও বন্‌ধের দিন তৃণমূল কর্মীদের কোনও প্ররোচনায় পা দিতে নিষেধ করা হয়েছে। রবিবার রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় বন্‌ধের বিরোধিতা করে পথসভা করেছে তৃণমূল। আবার দক্ষিণ কলকাতায় কংগ্রেস বন্‌ধের সমর্থনে মিছিল করেছে।  

জনপ্রিয়

Back To Top