আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নবান্নে বৈঠক শেষ। আর বৈঠক শেষে টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্তই নেওয়া হল। কাল ব্রিজ পরিদর্শন করবেন রাজ্য এবং রেলের যৌথ পরিদর্শক দল। তারপরই ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আর সেই রিপোর্ট জমা পড়লেই ভেঙে ফেলা হবে টালা ব্রিজ। এমনটাই জানা গিয়েছে নবান্ন থেকে। এদিকে, টালা ব্রিজে বাস চলাচল বন্ধ। তাই ঘুরপথে যেতে হচ্ছে বিভিন্ন রুটের বাসকে৷ এই জন্য আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এমন কারণ দেখিয়ে এবার বন্ধ হয়ে গেল কামারহাটি থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানা যাওয়ার ২৩০ নম্বর রুটের বাস। উত্তর কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে বাস চালানো বন্ধ করে দিলেন বাস মালিকরা। তবে টালা ব্রিজ বন্ধের জেরে উত্তর শহরতলির যাত্রীরা সমস্যায় পড়েছেন। তাই ডানলপ–এয়ারপোর্ট–নাগেরবাজার থেকে ছোট গাড়ি চালানোর পথে হাঁটছে প্রশাসন। 
উত্তর শহরতলি থেকে যে সব বাস ছাড়ে তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রুট হল– কামারহাটি মোড় থেকে বিটি রোড হয়ে টালা ব্রিজ ধরে শিয়ালদহ থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানা। ২৩০ নম্বর এই রুটের ১৯ কিলোমিটার রাস্তায় প্রত্যেকদিন ৬২টি বাস চলাচল করত। টালা ব্রিজ বন্ধ হওয়ায় ২৩০ রুটের বাসকেও ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও যাত্রীদের সুবিধায় উত্তর শহরতলির রুটে কিছু বদল আনছে প্রশাসনও। পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বরাহনগর–কুঠিঘাট থেকে ফেয়ারলি প্লেস পর্যন্ত লঞ্চ পরিষেবা ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে। ছোট গাড়ির সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে।’ বেশ কিছু রুটের বাস বন্ধ হলেও সরকারি বাস নামিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছে পরিবহণ দপ্তর। 
এই পরিস্থিতি নিয়েই শুক্রবার নবান্নে এই বৈঠকটি হয়। ইতিমধ্যেই মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সোমবার থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত বাড়তি ট্রেন চালাবে বলে ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ঘুরপথে বাস চললেও ভাড়া বাড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top