আজকালের প্রতিবেদন
বিবাদী বাগ এলাকায় রয়েছে অজস্র অফিস। আর তার অলিগলিতে অগুনতি খাবারের দোকান। সেখানে অফিসের সংখ্যা বেশি, না খাবারের পদ, তা নিয়ে তর্ক হতেই পারে। তবে অফিসপাড়ার খাবারের স্বাদ, বৈচিত্র‌ যে অতুলনীয়, সে কথা নির্দ্বিধায় সকলেই মেনে নেবেন। সেখানকার খাবারদাবারের ব্যাপারে আরও বেশি করে জানাতে শনিবার আয়োজন করা হয়েছিল খাদ্য উৎসবের, ‘‌আপিস পাড়ার খাবার’‌। বিবাদী বাগ এলাকার লায়ন্স রেঞ্জে। সেখানে অংশ নিয়েছিলেন ওই এলাকার খাবার বিক্রেতাদের একাংশ। এই উদ্যোগ নিয়েছে বণিক সভা দ্য বেঙ্গল চেম্বার। সহযোগিতায় এক্সাইড ইন্ডাস্ট্রিজ।
এদিন এই উপলক্ষে বেঙ্গল চেম্বারের উইলিয়ামসন ম্যাগর হলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। পরে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। বণিকসভার সামনে থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা অফিসপাড়া প্রদক্ষিণ করে। অংশ নিয়েছিলেন বেঙ্গল চেম্বারের ডিজি শুভদীপ ঘোষ, ওই বণিক সভার মিডিয়া, ফিল্ম এবং মিউজিক কমিটির চেয়ারম্যান অরিন্দম শীল, এক্সাইডের সিএসআর কমিটির চেয়ারম্যান জিতেন্দ্র কুমার, শিল্পী 
রূপঙ্কর–সহ বিশিষ্টরা।
এর আগে খাবারের গুণমান, পরিচ্ছন্নতা আরও ভাল করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল তারা। সেখানকার খাবার বিক্রেতাদের জন্য বেশ কয়েকটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। এর মধ্যে একটিতে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছিল তাঁদের। অন্যটিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পর্কে তাঁদের সচেতন করা হয়েছিল। আবার অন্য একটিতে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে তাঁদের জানানো হয়েছিল। বিবাদী বাগ এলাকায় কী না খাবার পাওয়া যায়! দেশি, বিদেশি সব খাবারই পাওয়া যায়।‌ রুটি, তরকারি, স্যান্ডউইচ, ডিম টোস্ট, ক্রিম টোস্ট থেকে চপ, চিলি চিকেন, এগরোল, মোমো, মিষ্টি। সেই তালিকা যেন শেষ হওয়ার নয়। সেখানকার খাবারের দামও বেশ সস্তা। গুণমান নিয়েও কোনও সংশয় নেই ভোজনরসিকদের। যেমন, 
দইবড়া ১০ টাকা, বিরিয়ানি ২৫ টাকা। কলাপাতায় দিব্যি চেখে দেখা যেতে পারে ডাল, ভাত, আলুভাজা। কৃষ্ণনগর, হুগলি থেকে আসেন মিষ্টি বিক্রেতারা।
খাদ্য উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন ৪০ জন খাবার বিক্রেতা।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top