আজকালের প্রতিবেদন: বিধাননগর পুরনিগম এলাকার পুকুরগুলিতে এবার ঝুলবে নোটিস। পুরনিগমের তরফে নোটিস টাঙিয়ে দাবি করা হবে, পুকুরটি বিধাননগর পুরনিগমের। কেউ যদি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে মালিকানার প্রমাণ দিতে পারেন, তাঁকে বলা হবে অবিলম্বে পুকুর সংস্কার করতে। মাছ চাষ–সহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে হবে মালিককেই। তা না হলে জরিমানা করবে পুরনিগম। এমনকি প্রয়োজনে পুরনিগম তা সংস্কার করে অন্যকে দিয়ে নিজে মাছ চাষ করবে। পুকুর অন্যকে লিজে দিয়ে দেওয়া হবে। সংস্কারের অভাবে পুকুরগুলি প্রায় মশার আঁতুড়ঘরে পরিণত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত পুরকর্তাদের। মেয়র সব্যসাচী দত্ত বলেন, ‘‌পুকুরে নোংরা ফেলা হচ্ছে। সংস্কার হয় না। এভাবে চলতে পারে না। এক জনের জন্য প্রতিবেশীদের দুর্ভোগে পড়তে হবে কেন?‌ ইতিমধ্যেই পুরনিগমের পরিবেশ দপ্তরের তরফে নোটিস তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে।’‌ 
দত্তাবাদে ১১টি পুকুর আছে। সবগুলিই বদ্ধ। মাছ চাষ হয় না। এলাকার বাসিন্দারা যথেচ্ছ আবর্জনা ফেলেন সেখানে। সম্প্রতি জ্বরে ২ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় পুরকর্তৃপক্ষ নিজস্ব উদ্যোগে পুকুরগুলি সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছেন। আবর্জনা সরানোর কাজ চলছে। মেয়র পারিষদ (‌পরিবেশ)‌ রহিমা বিবি মণ্ডল জানিয়েছেন, আবর্জনা তুলে দত্তাবাদের পুকুরগুলি প্রাথমিকভাবে শালবল্লি দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। যাতে কেউ আবর্জনা না ফেলতে পারেন। পরে চার পাড়ে গাছ লাগিয়ে স্থায়ী বাউন্ডারি ওয়াল তৈরি করা হবে।
বিধাননগর পুরনিগম সূত্রে খবর, পুকুর ভরাটের একটি চক্র সক্রিয় এলাকায়। আবর্জনা ফেলে ধীরে ধীরে ভরাট করা হয়। ইতিমধ্যে কয়েকটা ভরাট হওয়া পুকুর খুঁড়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়েছে পুরনিগম। পুরনিগম এলাকার প্রায় ২০০টি মালিকানাধীন পুকুর রয়েছে। এ ছাড়া পুরনিগমের নিজস্ব পুকুর আছে ৭টি। ভরাট ঠেকাতে মাছ চাষের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top