দীপঙ্কর নন্দী- ‘‌এখন হাতে অনেক সময়। রোজই আমার স্ত্রীকে রান্নায় হেল্প করছি। আমি তো কিছুটা রান্না জানি। একটা সময় রান্না করতেও হয়েছে আমাকে। বাড়িতে থাকতে খুব একটা কষ্ট হচ্ছে না। ধরেই নিয়েছি লকডাউন যতদিন চলবে, বাড়িতেই থাকতে হবে। এখন বাড়িতে শুধু আমি আর আমার স্ত্রী। ছেলে নিউজিল্যান্ডে থাকে। মেয়ে মনদীপ পুলিশ হাসপাতালের ডাক্তার।’ কথা হচ্ছিল তারকেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক রচপাল সিংয়ের সঙ্গে। থাকেন বিধাননগরে। লকডাউনের আগে সপ্তাহে দু’‌বার যেতেন তারকেশ্বর।
রচপাল বললেন, ‘‌এখন তো যাওয়ার প্রশ্ন নেই। মোবাইলেই ওখানকার লোকেদের সঙ্গে কথাবার্তা সারি। কাজকর্ম সব বন্ধ। সবাইকে বলেছি, স্টে হোম। আমরা নিরামিষাশী। ভাল নিরামিষ রান্না করতেও এলেম লাগে। টিভির খবর দেখি। ভাল ভাল ইংরেজি ম্যাগাজিন পড়ি। আমি মনে করি, বাড়িতে থাকলে আরও ভাল থাকা যাবে। আমার শুগার আছে। তবে শুগারের ওষুধপত্র জোগাড়ে খুব একটা অসুবিধে হচ্ছে না। সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে উঠে পড়ি। ব্যায়াম করি। শরীরটাকে তো ফিট রাখতে হবে। সারা দিন বাড়ির কাজের মধ্যেই থাকি। বিশ্রাম করি। কথা বলার সঙ্গী আমার স্ত্রী। নিউজিল্যান্ডে ছেলের সঙ্গেও কথা বলি। ওরা ওখানে ভাল আছে। আগে সেভাবে খোঁজখবর রাখতে পারতাম না। তবে লকডাউন উঠে গেলেই তারকেশ্বর যেতে হবে। অনেক কাজ জমে গেছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তিনি যা যা বলছেন, তা সকলের পালন করা উচিত। মাস্ক খুব এসেনশিয়াল। আমরা তো বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছিই না। তাই সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স মেনটেনের প্রয়োজন পড়ছে না। অনেক বলবেন, আমি ভয়ে বেরোচ্ছি না। তা ঠিক নয়। বাড়িতে থাকলেই এই রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যাবে।‌’

জনপ্রিয়

Back To Top