‌‌আজকালের প্রতিবেদন: সরকার চুপ করে বসে নেই। ধীরে ধীরে সব হবে। মঙ্গলবার পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে এই মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, ‘‌পার্শ্বশিক্ষকদের সামগ্রিক বিষয়গুলি সুবিবেচনা করা হয়েছে। সরকার চুপ করে বসে নেই। ধীরে ধীরে সব হবে। এনসিটিই–র নিয়ম অনুযায়ী যাঁদের যোগ্যতা রয়েছে, ধীরে ধীরে তাঁদের ব্যবস্থা করা হবে, এটা আগেও বলেছি। ওঁরা সবটা একসঙ্গে চাইছেন। সেটা করা সম্ভব হবে না।’‌ শিক্ষামন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, ২০১৮ সালেই পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তার আগে ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরির নিশ্চয়তা এবং ৩ বছর অন্তর ৫ শতাংশ হারে বেতন বাড়ার বিষয়টি কার্যকর করা হয়। পার্শ্বশিক্ষকদের ইপিএফ, স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আনা হয়েছে। তাঁরা যাতে ঠিকমতো ক্লাস করার সুযোগ পান, ছুটি পান, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে এই শিক্ষকদের সংখ্যাও কমছে। পার্শ্বশিক্ষকদের মাত্র এক বছরের প্রশিক্ষণ ছিল। সরকার  বিনামূল্যে তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। তা না হলে এই শিক্ষকদের চাকরি চলে যেত বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। নির্দিষ্ট বেতন–কাঠামোর দাবিতে বিধাননগরে উন্নয়ন ভবনের কাছে অবস্থান ও আমরণ অনশন শুরু করেছেন পার্শ্বশিক্ষকরা। এদিন আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের মঞ্চে আসেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

জনপ্রিয়

Back To Top