আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এনআরএস কাণ্ডে এবার গণ ইস্তফার পথে হাঁটলেন আরজি কর, এনআরএস, এসএসকেএম হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক৷ এক সঙ্গে ইস্তফা দিলেন আরজি কর হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১২৬ জন চিকিৎসক৷ বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যে ব্যবহার করেছেন তার বিরুদ্ধে এদিন সরব হতে দেখা গিয়েছে আরজি করের চিকিৎসকদের৷ মুখ্যমন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি করেছেন তাঁরা৷ আর আরজি কর হাসপাতালের পরই গণ ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এনআরএসের বিভিন্ন বিভাগের ১০০ জন চিকিৎসক। এখানেই শেষ নয়, এরপর এসএসকেএম হাসপাতালের ১৭৫ জন চিকিৎসক এবং মেডিক্যালের ১০০ জন চিকিৎসকও গণ ইস্তফা দিয়েছেন। শুধু এনআরএস, আরজি কর বা এসএসকেএম নয়, ইস্তফা দিয়েছেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ১৮ জন চিকিৎসকও। দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া চিকিৎসকদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে এবং নিরাপত্তার দাবিতে অধ্যক্ষের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন তাঁরা৷ ইস্তফা দিয়েছেন হাসপাতালের মনরোগ বিভাগের প্রধান নির্মল বেরা৷ এবং ওই বিভাগেরই সহকারী প্রধান উত্তম মজুমদার৷ ইস্তফা দেওয়ার কারণ হিসাবে নিরাপত্তার গাফিলতিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তাঁরা৷ জানিয়েছেন, তাঁরা পরিষেবা দিতে প্রস্তুত৷ কিন্তু, এর আগে সরকারকে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে৷ প্রশাসনের উদ্দেশে তাঁদের প্রশ্ন, ‘যদি আমরাই না বাঁচি, তাহলে মানুষের প্রাণ বাঁচাব কীভাবে?’ কেবল উত্তরবঙ্গ নয়, একই অচলাবস্থার ছবি ধরা পড়েছে জেলার হাসপাতালগুলিতেও৷ বর্ধমান মেডিক্যাল, বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে স্তব্ধ পরিষেবা৷ যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন রোগীর বাড়ির লোকরা৷ হাসপাতালের সামনে বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁরা৷ ‌এর আগে পদত্যাগ করেছিলেন নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের সুপার সৌরভ চট্টোপাধ্যায় এবং প্রিন্সিপাল শৈবাল মুখোপাধ্যায়৷ অন্যদিকে, রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া অব্যবস্থার অভিযোগ নিয়ে শুক্রবারই রাজভবনে যাচ্ছেন সিনিয়র চিকিৎসকদের একটি দল৷ সূত্রের খবর, রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে অভিযোগ দায়ের করবেন তাঁরা৷ দাবি তুলবেন তাঁর হস্তক্ষেপের৷‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top