আজকালের প্রতিবেদন: কলকাতার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এবার ঘুরবে মোবাইল ডিসপেনসারি। মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভায় বাজেট আলোচনায় এ কথা জানালেন মেয়র পারিষদ (‌স্বাস্থ্য) অতীন ঘোষ। ১০ মার্চ পুর বাজেট পেশ করেন কলকাতার মহানাগরিক শোভন চ্যাটার্জি। এদিন বাজেট আলোচনায় বলতে গিয়ে অতীন ঘোষ বলেন, পুরসভার প্রান্তিক ওয়ার্ডগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ। ৫৭, ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের মতো বড় ওয়ার্ডগুলিতেও ঘুরবে মোবাইল ডিসপেনসারি ভ্যান। ভ্যানে থাকবেন একজন ডাক্তার, নার্স। থাকবে ওষুধও। দ্রুত চালু করা হবে এই পরিষেবা। পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে থেকেই এবার এইচআইভি, হিমগ্লোবিন, শুগার পরীক্ষাও করা যাবে। গর্ভবতী মায়েদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষাও করা যাবে। ২০১৭ সালে ১৭ লক্ষ মানুষ পুর স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়েছেন। এ বছর জানুয়ারি থেকে মার্চেই ১ লক্ষ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যানের নিরীখে এই সংখ্যা কলকাতাবাসীর থেকে অনেক বেশি। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে, পুরসভা শহরের বাইরেও বহু মানুষের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কলকাতায় ১৫টি ডেঙ্গি নির্ণয় কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। যেখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে বিনামূল্যে ডেঙ্গি নির্ণয় করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গি–সচেতনতা নিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সচেতনতা অভিযানের জন্য পুরসভা থেকে ২০ হাজার টাকাও দেওয়া হয়েছে। এদিন বাজেটের বিরোধিতা করেন বাম কাউন্সিলররা। মৃত্যঞ্জয় চক্রবর্তী, মধুছন্দা দেব, বিলকিস বেগমরা এদিন আলোচনায় অংশ নেন এবং শূন্যপদ পূরণ, অস্থায়ীদের অবিলম্বে স্থায়ী করার প্রস্তাব আনেন। নতুন সম্পত্তি কর (‌ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট)‌ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিজেপি কাউন্সিলর তিস্তা দাস বিশ্বাস। বাজেটে ঘাটতি আগের থেকে কমানোর দাবি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন বিজেপি–র বিজয় ওঝা। এদিন বাজেট আলোচনায় বক্তব্য পেশ করেন তৃণমূলের অনন্যা ব্যানার্জি, অরূপ চক্রবর্তী, তারক সিং, রতন দে, সন্দীপন সাহা, সোমা চক্রবর্তী। বাজেট বিবৃতিতে একটি ভুলের সংশোধনীও দেওয়া হয়।‌

জনপ্রিয়

Back To Top