আজকালের প্রতিবেদন: সবার মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাজ্য সরকার। শনিবার বিশ্ব সাক্ষরতা দিবসে টুইটারে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি লিখেছেন, ‘‌আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। সুসংহত উন্নয়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপুঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সাক্ষরতা। আমাদের সরকার সবার মধ্যে শিক্ষার আলোকে ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’‌।
এদিন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সাক্ষর ভারত কর্মসূচির অর্থ দিচ্ছে না। কিন্তু তারপরও সাক্ষরতার হারে দেশের গড়ের থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। অন্যদিকে, রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মানুষের সাক্ষরতাকে দ্বিতীয় ধাপে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। শুধু নিজের নাম সই নয়, তাঁরা যাতে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিসের কাজ নিজেরাই সারতে পারেন, সে বিষয়ে বলেছেন তিনি। বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে কলকাতার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায়, বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রী সাধন পান্ডে, নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী শশী পাঁজা, জনশিক্ষা ও গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শ্যামল সেন প্রমুখ।
সৌগত রায় বলেন, ‘‌দেশে সাক্ষরতার হার ৭৩ শতাংশ, এ রাজ্যে সেই হার ৭৬ শতাংশ। বাংলায় গত ১০ বছরে ১০ গুণের বেশি মানুষকে সাক্ষর করা হয়েছে। এখনও দেশে ২৮ কোটি ২৭ লক্ষ মানুষ নিরক্ষর রয়েছেন। যাঁরা লেখাপড়া জানেন, তাঁরা অন্য মানুষকে লেখাপড়া শেখানোর কাজে এগিয়ে আসুন।’‌
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, গানবাজনা, আঁকার মাধ্যমে অনেক পড়ুয়াকে স্কুলমুখী করা গেছে। এখন তারা নিয়মিত স্কুলে আসছে। সাক্ষর মানে শুধু নিজের নাম সই করা, তা যেন না হয়। তারা যেন উপার্জন করতে, স্বাবলম্বী হতে পারে তা দেখতে হবে। ‌‌‌

 

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের অনুষ্ঠানে বার্ষিক প্রতিবেদন ও রাজ্যের বিভিন্ন জেলার গ্রন্থাগারের তালিকা প্রকাশ। বাঁ দিক মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংসদ সৌগত রায়, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, শোভনদেব চ্যাটার্জি। ছবি:‌ অভিজিৎ মণ্ডল

জনপ্রিয়

Back To Top