আজকালের প্রতিবেদন
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় আরও শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হল। শুক্রবার কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সিবি বিল্ডিং অর্থাৎ ইমার্জেন্সি যেখানে সেখানে ১২০টি শয্যা করা হয়েছে। গ্রিন বিল্ডিংয়ে ৫০টি ও সুপার স্পেশ্যালিটি ব্লকে আরও ৫০টি শয্যার পাশাপাশি সিসিইউ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২টি করা হয়েছে। এছাড়াও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা অক্সিজেন, ভেন্টিলেটরের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ইমার্জেন্সিতে তিনটি কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন ইউনিট করা হয়েছে। এদিকে নন–‌কোভিড রোগীদের চিকিৎসায় ৩০০ শয্যা রাখা হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যালের অ্যানেক্স হাসপাতাল লেডি ডাফরিন গাইনি, পেডিয়াট্রিক বিভাগ ও ইমিউনাইজেশন ক্লিনিক চলবে। মেয়ো হাসপাতালে সার্জারি ও অর্থোপেডিকের আউটডোর চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান মন্ত্রী, ডাঃ নির্মল মাজি। 
রূপান্তরকামীদের মধ্যে কেউ কোভিডে আক্রান্ত হলে তাদের জন্য চারটি শয্যার ব্যবস্থা করেছে এমআর বাঙুর হাসপাতাল। বার্ন ইউনিটের যে কেবিনগুলো রয়েছে সেখান থেকে চারটি কেবিন রূপান্তরকামীদের কোভিড চিকিৎসার জন্য রেখেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে ক্রমশ রোগীর চাপ বাড়ছে এমআর বাঙুরে। কতদিন রূপান্তরকামীদের নামে পৃথক চারটি শয্যা খালি রাখতে পারা যাবে তাই নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রান্সজেন্ডার হিজরা ইন বেঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা অধিকর্তা রঞ্জিতা সিনহা।  
অন্যদিকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে চারজন করোনা–‌জয়ী কাজ শুরু করে দিয়েছেন। কাউকে জলের গ্লাস এগিয়ে দিয়েছেন, বেডে শুয়ে থাকা কোনও রোগীকে পাশ ফিরিয়ে দিয়েছেন। হাসপাতালের সুপার ডাঃ শিশির নস্কর বলেন, ‘‌কোভিড ওয়ারিয়র্সরা খুশি। যাবতীয় সুরক্ষাবিধি অবলম্বন করে আপাতত অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। কোভিডকে জয় করে তাঁরা কাজ করছেন এটি দেখে অন্য রোগীরা ভরসা পাচ্ছেন। কেউ কোভিড থেকে সেরে উঠলেও অনেকে অচ্ছুৎ মনে করছেন। সমাজ ব্রাত্য করে দিচ্ছে। এই সমস্ত মনোভাব দূর করা দরকার।’‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top