আজকালের প্রতিবেদন
এসসি–‌এসটি কমিশনের বিলটি এখনও রাজভবন থেকে রাজ্যপালের ছাড়পত্র পায়নি। মঙ্গলবারই বিধানসভা শেষ হল। এদিনই রাজ্যপাল এসসি–‌এসটি কমিশন বিল নিয়ে স্পিকারকে একটি চিঠি দেন। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, ‘‌এই চিঠি স্পিকারের হাতে আসার আগেই প্রকাশ্যে চলে এল। নিউজ চ্যানেলগুলিতেও দেখানো হল। এটা কীভাবে হয়?‌‌ এটা আমরা ভাবতে পারি না। রাজ্যপালের চিঠি গোপন থাকা দরকার। যেটা থাকছে না। সংবিধানের পক্ষে খারাপ।’‌ পার্থ এদিন জানিয়ে দেন, ‘‌স্পিকারকে উনি চিঠি দিয়েছেন। তিনি উত্তর দেবেন। আমার মনে হয়েছে, রাজ্যপালের কোথাও একটা বুঝতে ভুল হয়েছে। এর পেছনে একটা রাজনৈতিক কারণ আছে বলে মনে হচ্ছে।’‌ 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তপসিলি জাতি–উপজাতিদের জন্য একটি কমিশন গড়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিলও হয়েছে। বিধানসভায় আলোচনার আগে রাজ্যপালের ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। পার্থ বলেন, ‘‌অহেতুক বিলম্ব করা হচ্ছে। যদি এই বিল বাতিল করে দেন, তাহলে প্রতিবাদ হবে। বিধানসভাকে অসম্মান করা হচ্ছে। বিলটি অধিবেশনেও আসেনি। রাজ্যপাল সঠিক কথা বলছেন না। আবারও বলছি, ওঁকে ভুল বোঝানো হয়েছে। আমি কোনও রাজ্যপালকে অসম্মান করিনি। এখনকার রাজ্যপালকেও নয়। তবে, উনি যে সব বলছেন তা দুঃখজনক।’‌
অন্যদিকে, এদিন বিধানসভার বাইরে বি আর আম্বেদকরের মূর্তির নীচে তৃণমূলের বিধায়কেরা এসসি–‌এসটি কমিশনের বিলটি রাজভবন থেকে না আসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান। টানা দু’‌ঘণ্টা চলে বিক্ষোভ। শাসক দলের ৪৬ জন তপসিলি জাতি–উপজাতি বিধায়ক রয়েছেন। তার মধ্যে এদিন ৩৬ জন বিক্ষোভে অংশ নেন। হাতে প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। মহিলাদের মধ্যে ছিলেন শিউলি সাহা, উষারানি মণ্ডল, নমিতা সাহা, নীলিমা নাগ, নীলাবতী সাহা, জ্যোৎস্না মান্ডি, বীণা মণ্ডল। এ ছাড়া ছিলেন শ্যামল মণ্ডল, শীতল সর্দার, সুরজিৎকুমার বিশ্বাস, শঙ্কর দোলুই, সমীর পাঁজা প্রমুখ। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ বক্তব্যও পেশ করেন। স্লোগান ওঠে— ‘‌রাজ্যপাল গো ব্যাক, বিলে স্বাক্ষর করো, তা না হলে বিজেপি–‌তে যোগ দাও।’‌ ‌

জনপ্রিয়

Back To Top