গৌতম চক্রবর্তী
বোলপুরের মতো নেতাজির পৈতৃক বাসভূমিকে পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে মানুষের কাছে তুলে ধরতে চান সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার দুপুরে কোদালিয়ায় নেতাজির পৈতৃক বাসভবন পরিদর্শনের পরে একথাই জানালেন তিনি। এবারেও সাধারণ মানুষের জন্য নেতাজির বাসভবনের দোতলার ঘরটি খোলা হয়নি। নেতাজির বাড়ির দরজা খোলা হলেও কোনও দর্শনার্থীকে দোতলার ঘরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ফলে, বহু দর্শনার্থী এবারেও দেখতে পেলেন না নেতাজির স্মৃতিবিজড়িত নানান আসবাব। তবে যাদবপুর লোকসভার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার দুপুরে নেতাজির পৈতৃক বাসভবন ও তাঁর ঘরটি পরিদর্শন করেন। দোতলায় গিয়ে চাক্ষুষ করেন নেতাজির ব্যবহৃত আসবাবপত্র। এই পরিদর্শনের পরেই সাংসদ মিমি চক্রবর্তী জানিয়ে দেন বীরভূমের বোলপুরের মতো নেতাজির স্মৃতিবিজড়িত পৈতৃক বাসভবনটিকে যাতে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা যায় তা নিয়ে তিনি চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। এখন থেকেই প্ল্যানিং করার নির্দেশও দেন বারুইপুর মহকুমাশাসক দেবারতি সরকার ও রাজপুর সোনারপুর পুরসভার পুরপ্রধান পল্লব দাসকে। এদিন নেতাজির ১২৪তম জন্মদিনে সকাল থেকেই সাজ সাজ রব ছিল কোদালিয়াতে। সকাল থেকেই নেতাজির পৈতৃক বাসভবনে ভিড় উপচে পড়েছিল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের। ভিড় করেছে কিশোর–‌কিশোরীর দলও। ঠিক দুপুর ১২-১৫ মিনিটে শঙ্খ বাজিয়ে মহিলারা নেতাজির জন্মের শুভক্ষণের সূচনা করেন। চেয়ারম্যান ড.‌ পল্লব দাস গানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু বাঁশি বাজিয়ে মুগ্ধ করেন দর্শনার্থীদের। 

জনপ্রিয়

Back To Top