আজকালের প্রতিবেদন: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের উচ্চমাধ্যমিকের সঙ্গে মাধ্যমিকের নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে আইএসসি এবং সিবিএসই দ্বাদশ পাশ পড়ুয়ারা গতবারের নিয়মেই ভর্তি হবে। এদের  মাধ্যমিকের নম্বর দেখা হবে না। শনিবার বিভাগের ভর্তি কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বিভাগের শিক্ষকেরা যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাতে উচ্চমাধ্যমিকের সঙ্গে মাধ্যমিকের নম্বরকে বিচার করার কথা বলা হয়েছিল। এ বছর করোনা পরিস্থিতিতে উচ্চমাধ্যমিকের পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। কিন্তু  আইএসসি এবং সিবিএসই দ্বাদশের কিছু পরীক্ষা না নেওয়া গেলেও পদার্থবিদ্যা এবং রসায়নের পরীক্ষা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের বিষয়গুলিতে পড়ুয়া ভর্তির ক্ষেত্রে বরাবর গণিত, পদার্থবিদ্যা এবং রসায়নের নম্বরকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই বৈঠকে ঠিক হয়েছে উচ্চমাধ্যমিকের পড়ুয়াদেরই ভর্তির ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের নম্বর দেখা হবে। বৈঠকে সব বিভাগীয় প্রধানরাই বলেন, প্রতিটি বিভাগেই পড়ুয়ার সংখ্যা অনেক। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করানো সম্ভব নয়। 
পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, অঙ্ক এবং ভূগোলে মোট ৪০০ নম্বর ধরা হয়েছে। পদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের অঙ্কে প্রাপ্ত নম্বর থেকে ২০০ এবং মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরকে ২০০ ধরে ৪০০–র মধ্যে ওয়েটেজ দেওয়া হবে। অঙ্কের ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বরকে ২০০ এবং মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞান ও অঙ্কের নম্বরকে ১০০ করে ২০০ ধরে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। রসায়নের ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের মোট নম্বর, অঙ্কে প্রাপ্ত নম্বর, মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞান ও জীবনবিজ্ঞানের নম্বরকে ১০০ করে ধরে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। ভূগোলের ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের অঙ্কের নম্বরকে ২০০, মাধ্যমিকের অঙ্ক এবং ভূগোলের নম্বরকে ১০০ করে ২০০ ধরে ৪০০–র মধ্যে যত হচ্ছে তার ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। ভূতত্ত্বের ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের সঙ্গে মাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top