আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌‌আগামী ২৩ তারিখ রথযাত্রা। রথ আসার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় বাঙালির সব থেকে বড় পার্বন দুর্গাপুজোর দিন গোণা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা যায় কলকাতার বড় পুজোগুলোর হোর্ডিং, ব্যানার। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। কোভিড–১৯ মহামারী, লকডাউন এবং সামাজিক দূরত্ব বিধি সহ একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে কলকাতার বড় পুজোগুলি কতটা আড়ম্বরে হবে, বারোয়ারি পুজো কীভাবে হবে নিয়ে দোটানায় পুজো উদ্যোক্তা থেকে কুমোরটুলি। কারণ অন্যান্য বছর যখন এই সময়ে কুমোরটুলিতে ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়, তখন এবছর এখনও পর্যন্ত প্রায় সব কিছুই থমকে আছে। বিদেশের বেশিরভাগ প্রতিমার বরাত বাতিল হয়েছে। শহরের বহু বারোয়ারি পুজোরও বরাত এখনও যায়নি কুমোরটুলিতে। অনেক বড় পুজোর উদ্যোক্তারাও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। ফলে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের স্টুডিও–ও যেমন নিস্তব্ধ হয়ে আছে এবার। তেমনই কর্মহীনতার আশঙ্কায় দিন প্রতিমার  সাজ, চুল, চালচিত্র তৈরির শিল্পী, মন্ডপশিল্পী, ঢাকি, পুরোহিত, মাটির প্রদীপ বা পাত্র তৈরির মৃৎশিল্পী, ফুলচাষীদের মতো মানুষরাও, যাঁরা দুর্গাপুজোর এই সময়টাতেই প্রায় সারা বছরের রোজগারের বেশিরভাগটাই আয় করে বাড়ি ফেরেন। কলকাতার বড় থিম পুজোগুলির জনপ্রিয় শিল্পীরা মনে করছেন, এই সব গরিব মানুষদের কথা চিন্তা করেই ঘটাপটা ছাড়াই ছোট করে যেন পুজোর আয়োজনের অনুমতি দেয় সরকার। তবে একইসঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রেখে বারোয়ারি পুজো করা নিয়েও চিন্তিত তাঁরা।  

জনপ্রিয়

Back To Top