আজকালের প্রতিবেদন: ২০১৯–‌এ লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি কোনও সাংগঠনিক নির্বাচন করবে না। ফলে রাজ্যে সভাপতি থেকে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন বলেন, ‌‘‌বিজেপি বড় দল। দলের সাংগঠনিক নির্বাচন করা একটি বিরাট কাজ। এই নির্বাচন করতে গেলে দলের ছোট–‌বড় সবাইকে দায়িত্ব নিতে হয়। সেজন্য লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার পর সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে কথা হবে। দিল্লিতে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলীয় ভোট পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।’‌ এ রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে দলীয় মহলে গুঞ্জন ছিল। তাঁর মেয়াদ এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গোটা দেশে দলের সংগঠনে কোথাও কোনও পরিবর্তন হবে না। সর্বত্র স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হবে, সে কেন্দ্রীয় স্তর হোক বা রাজ্য স্তর কিংবা জেলা সংগঠন। দলীয় সংগঠনে এখন যিনি যে পদে আছেন, তিনি সেই পদেই থাকবেন। 
জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের জন্য সব রাজ্যের রাজ্য সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্য সদস্যরা দিল্লিতে হাজির হয়েছেন। সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর পৌরোহিত্যে এই বৈঠক চলছে। অমিত শাহ ২০১৬–‌য় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় দফায় তাঁর সভাপতি থাকার মেয়াদ আগামী বছরের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় স্তরে দলের অন্যতম সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখেই বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে লড়বে। এবার বুথ স্তরের কর্মীদের মূল দায়িত্ব তাঁদের এলাকার ভোটারদের পোলিং বুথে নিয়ে আসা। জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে সব নেতাকেই এ ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে বলে রাহুল সিনহা জানান। আজ, রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় কর্মসমিতির নেতাদের সামনে বক্তৃতা দেবেন। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top