আজকালের প্রতিবেদন- বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–‌উপাচার্য পদে রাজ্যের পাঠানো নাম খারিজ করে নিজের মনোনীত প্রার্থীর নামে নির্দেশিকা বের করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়!‌
রাজ্যপালের এহেন আচরণে ক্ষুদ্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি। তাঁর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদে এভাবে ‘‌বিজেপি’‌র লোক বসাচ্ছেন রাজ্যপাল। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অধিকারের বাইরে গিয়ে পদক্ষেপ করছেন রাজ্যপাল। যা কোনও মতেই মানা হবে না।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–‌উপাচার্য ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষিকা মহুয়া সরকার। তিনি চলে যাওয়ার পর ফেব্রুয়ারি থেকে পদটি ফাঁকা। বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত যে আইনটি গত বছর বিধানসভায় পাশ হয়েছে সেই অনুসারে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–‌ উপাচার্য কে হবেন তা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে ঠিক করার কথা। সেই মতো উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সহ–‌উপাচার্য পদে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যার শিক্ষক আশিস পাণিগ্রাহির নাম রাজভবনে পাঠানো হয়। কিন্তু আশিসবাবুর নামটি ফেরত পাঠিয়ে রাজভবন থেকে নতুন আরও দুটি নাম পাঠানো হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এই দুটি নামের পরিবর্তে ফের আশিসবাবুর নামটি পাঠানো হয়। আইন অনুযায়ী দ্বিতীয়বার যদি একই নাম পাঠানো হয় তবে তাতেই রাজভবনের সম্মতি দেওয়ার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে উল্টো পথে হেঁটে রাজ্যপাল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক গৌতম চন্দ্রের নাম, যিনি ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, তাঁকে সহ–‌উপাচার্য পদে নিয়োগ করা হল, এই মর্মে সোমবার নির্দেশ বের করেন। গোটা বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‌এভাবে নির্দেশ বের করার কোনও অধিকারই রাজ্যপালের নেই। তিনি বেছে বেছে বিজেপি–‌র লোক বসাচ্ছেন। যা আমরা কিছুতেই মানব না। তাঁর এই আচরণ খুবই দৃষ্টিকটু।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top