সোহম সেনগুপ্ত: স্ত্রীর সঙ্গে অভব্যতা। প্রতিশোধ নিতে নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে দুই ভাইকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। আত্মসমর্পণ করে এমনই দাবি করে সন্তোষ পাত্র নামে ওই পুলিশকর্মী। সে বিধাননগর কমিশনারেটের এডিসি (‌এসবি)‌ অনুরাধা মণ্ডলের দেহরক্ষী। বারাসত পুলিশ জেলার সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি জানান, আমডাঙার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার নেপথ্যে জমি–সংক্রান্ত বিবাদ রয়েছে কি না, তা–ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বছর পয়ত্রিশের নিহত দুই যুবকের নাম অরূপ মণ্ডল ও সুমন্ত মণ্ডল। তাঁরাও তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাতে। সে সময় তেঁতুলিয়া গ্রামের ঠাকুরতলায় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে গল্প করছিলেন অরূপ ও সুমন্ত। হঠাৎ সেখানে হাজির হয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় অভিযুক্ত সন্তোষ। স্থানীয়রা প্রথমে ভাবেন, বাজির শব্দ। পরে ঠাকুরতলায় এসে তাঁরা দেখেন, রক্তাক্ত দুটি দেহ পড়ে রয়েছে। শরীরে গুলির দাগ। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ছোটাছুটি শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে পালায় সন্তোষ। এলাকাবাসীরাই আমডাঙা থানায় খবর দেয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে সন্তোষ। ২ যুবককে বারাসত হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের একজনকে সঙ্গে সঙ্গে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। অন্যজন অল্প সময়ের ব্যবধানে চিকিৎসা শুরুর আগেই মারা যান। পুলিশ জানিয়েছে, কেন এই খুন, জানতে জেরা চলছে। গোটা এলাকায় আতঙ্ক থাকায় চলছে পুলিশি টহল।

জনপ্রিয়

Back To Top