আজকাল ওয়েবডেস্ক: দিনভর প্রতীক্ষা। ভবানী ভবনে সিআইডির জেরার মুখোমুখি হতে আসেননি কোনও সিআইএসএফ জওয়ান। মঙ্গলবার জেরা করা হয়েছে মাথাভাঙা থানার আরেক এসআই গোবিন্দ দাসকে। আগামীকাল তলব করা হয়েছে মাথাভাঙার এসডিপিওকে। 
সিআইডির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার দিন কী কী ঘটেছিল সে সম্পর্কে এদিন গোবিন্দ দাসের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। এই বক্তব্য পরে অন্য আধিকারিকদের বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। 
কেন তলব করা সত্ত্বেও সিআইএসএফ জওয়ানরা এলেন না সে প্রসঙ্গে ওই আধিকারিক বলেন, সে বিষয়ে সিআইএসএফের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। সিআইডির তরফ থেকে ফের যোগাযোগ করা হবে। 
তবে সাসপেন্ড হওয়া কোচবিহারের প্রাক্তন পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরকে ঠিক কবে জেরা করা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও দিন ঠিক করেনি সিআইডি। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগে এই অফিসারদের বক্তব্য রেকর্ড করার পর তারপর এই দিকটি দেখা হবে। 
গত ১০ এপ্রিল রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোট চলাকালীন কোচবিহার জেলার শীতলকুচির জোট পাটকি গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান চারজন গ্রামবাসী। ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য সরকারের তরফে এই ঘটনার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসময় কোচবিহারের পুলিশ সুপার পদে ছিলেন দেবাশিস ধর। 
তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মমতা ব্যানার্জি। এরপর সাসপেন্ড করা হয় দেবাশিস ধরকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কে কান্ননকে। ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা মাথাভাঙা থানার তদন্তকারী অফিসার মলয় বোসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি।

জনপ্রিয়

Back To Top