স্বদেশ ভট্টাচার্য, সন্দেশখালি: মৃতদেহ নিয়ে রবিবার সন্ধেয় ধুন্ধুমার সন্দেশখালিতে। নিহত দুই বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ কলকাতায় আনার পথে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেয়ে মিনাখাঁর মালঞ্চের কাছে পুলিসের সঙ্গে তুলকালাম কাণ্ড বেধে যায় বিজেপি–র নেতা–কর্মীদের। তখন রাস্তার মাঝেই দেহ সৎকারে জেদ ধরেন নেতারা। শুরু হয়ে যায় চিতা সাজানো। প্রায় ঘণ্টা খানেক কলকাতা–বাসন্তী রোড অবরোধ করে রাখেন বিজেপি কর্মীরা। চড়তে থাকে উত্তেজনার পারদ। অবশেষে কলকাতায় দেহ নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করেন নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা আজ, সোমবার বসিরহাট মহকুমায় ১২ ঘণ্টা বন্‌ধ ও রাজ্য জুড়ে কালা দিবসের ডাক দেন। তারপরই শেষকৃত্যের জন্য মৃতদেহ সন্দেশখালিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।   
শনিবার বিকেলে তৃণমূল–বিজেপি–র সঙ্ঘর্ষে সন্দেশখালির হাটগাছি পঞ্চায়েতের ভাঙিপাড়া গ্রামে ৩ জন নিহত হন। তঁাদের একজন তৃণমূল কর্মী, বাকি দু’‌জন বিজেপি–র। এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে রাহুল সিনহা, লকেট চ্যাটার্জি, শান্তনু ঠাকুর, সায়ন্তন বসু বসিরহাট জেলা হাসপাতালে আসেন। ময়নাতদন্তের পর নিহত দুই কর্মীর মৃতদেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান। মিনাখঁার মালঞ্চের কাছে পুলিশ বাধা দেয়। বেধে যায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। প্রায় ঘণ্টা খানেক মৃতদেহ নিয়ে টানাপোড়েন চলতে থাকে। অবশেষে রাহুল সিনহা ঘোষণা করেন, মৃতদের পরিবারের কথা ভেবে এবং পুলিশি নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে তাঁরা সিদ্ধান্ত বদল করছেন।
এদিকে এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নেতৃত্বে সুজিত বসু, তাপস রায় ও মদন মিত্র সন্দেশখালিতে যান নিহত কায়ুম মোল্লার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। পরে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘‌আমাদের কর্মী কায়ুম মোল্লাকে মিছিল থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে গুলি করে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। এর পর গ্রামের মানুষই প্রতিরোধ করেছেন।’‌ ‌
 আতঙ্কে গোটা গ্রাম। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মহকুমা জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top