‌আজকালের প্রতিবেদন: আরসালান। নামের সঙ্গেই যেন জড়িয়ে রয়েছে বিরিয়ানির সুবাস। পার্ক সার্কাস মোড়ে আরসালান বিরিয়ানির দোকানটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত নাম। সল্টলেক, নিউ টাউন ছাড়াও কলকাতার প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই আরসালানের কাউন্টার রয়েছে। সম্প্রতি সংস্থার কর্তারা দুবাইতেও ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছিলেন। ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর আরসালান এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড খোলা হয়। রেজিস্ট্রার অব কোম্পানিজে পাতা উল্টে দেখা যাচ্ছে ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সংস্থার সাধারণ বার্ষিক সভা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্পোরেট মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩১ মার্চ, ২০১৮ ব্যালান্স শিট ফাইল করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, শেয়ার মূলধন রয়েছে ১০ লক্ষ টাকা।  আখতার পারভেজ এবং আয়েশা পারভেজ দুই ডিরেক্টর। সংস্থার রেজিস্ট্রেশন নম্বর হল ৯৩৮৭০। সার্কাস এভিনিউয়ের ঠিকানায় রেজিস্ট্রেশন।
বিরিয়ানির নানা পদের কৃৎকৌশলে ইতিমধ্যেই বিরিয়ানি প্রেমীদের সেরা ঠিকানা আরসালান। ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে সংস্থা ব্যবসা করছে। বিভিন্ন উৎসবের সময় আরসালানের বিরিয়ানির কাউন্টারে ভিড় উপচে পড়ে। পারিবারিক ব্যবসা যাতে আরও সুন্দরভাবে চালানো যায় সেইজন্যই আরসালান পারভেজকে বিদেশে ম্যানেজমেন্ট পড়তে পাঠানো হয়েছিল। আরসালানের বিশেষত্ব শুধু বিরিয়ানিতেই নেই। মাংসের নানা পদেও যথেষ্ট সুনাম। শুধু মাত্র শুক্রবার তৈরি হয় ইরানি খিচুড়ি। এ ছাড়াও এরা যে পদগুলিতে সিদ্ধহস্ত সেগুলি হল— মুরগা তাম্বুক, মুর্গ মুসল্লম, ফিশ টিক্কা মশালা। আমিষ, নিরামিষ দু–‌ধরনের বিরিয়ানিতে কামাল করে দিয়েছেন এরা। ফিরনি, শাহি টুকরা, গাজর হালুয়ার স্বাদ লোকের মুখে মুখে ফেরে।‌ শুধু মোগলাই খানার সুবাদেই কলকাতার এই সংস্থার নাম এখন ছড়িয়েছে অন্য রাজ্যেও। এরা হায়দরাবাদি বিরিয়ানিও তৈরি করেন। একসঙ্গে বহু মানুষ এই সংস্থার সঙ্গে কাজের সূত্রে জড়িয়ে। সকাল থেকে রাত খুব কম দিনই আরসালান কাউন্টারে লোকের ভিড় থাকে না!‌ দোকানে বসে বিরিয়ানি খাওয়ার পাশাপাশি এখন এরা বাড়িতেও হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top