আজকালের প্রতিবেদন: আজ, সোমবারের বন্‌ধে রাজ্য সচল রাখবে সরকার। বন্‌ধ মোকাবিলায় অন্যান্যদিনের তুলনায় ২০ শতাংশ অতিরিক্ত চলবে সরকারি বাস, ট্রাম, লঞ্চ। সোমবার ‘নাইট সার্ভিস’ চলবে অতিরিক্ত ২ ঘন্টা— ভোর ৬টা পর্যন্ত। পথে থাকবে অতিরিক্ত পুলিসি নজরদারিও। পেট্রোপণ্য এবং রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ভারত বন্‌ধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। একইসঙ্গে হরতাল ডেকেছে বামফ্রন্ট। 
বন্‌ধের দিন জন–পরিষেবা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার তরফে। ইতিমধ্যেই অর্থ দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, যাঁরা সোমবার অফিসে অনুপস্থিত থাকবেন, তাঁদের একদিনের ছুটি এবং বেতন কাটা যাবে। এমনকী, অর্ধদিবস ছুটিও নেওয়া যাবে না।
প্রশাসনের তরফে আরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘জোর করে’ বন্‌ধ করা যাবে না। কেউ তেমন করাতে চাইলে অথবা পথে গাড়ি আটকালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, নির্ভয়ে সকলে দোকান খুলুন। গাড়ি চলাচল করবে রোজকার মতই। স্কুল–কলেজও খোলা থাকবে। 
কলকাতায় দেড় হাজার অতিরিক্ত পুলিস মোতায়েন থাকবে। রাস্তায় ঘুরবে পুলিসের ‘রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড’। লালবাজার কন্ট্রোল রুম নজর রাখবে। বন্‌ধে মেট্রোরেলে যাত্রী ঢোকা ঠেকাতে অনেক সময় চেষ্টা করেন বন্‌ধ সমর্থকরা। তাই মেট্রো স্টেশনগুলিতেও থাকবে বাড়তি নজরদারি। কলকাতার বাজারগুলিতে যাতে প্রয়োজনীয় পণ্য আসতে পারে, সেজন্য রবিবার দিনভর শহরে পণ্যবাহী যান ঢোকানো হয়েছে। রাজ্যের অন্য জেলাগুলিতেও পণ্যবাহী ট্রাক ঢোকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শুধু কলকাতাতেই চলবে অতিরিক্ত সরকারি ২০০ বাস। রাস্তার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে খোলা হচ্ছে বিশেষ কন্ট্রোল রুমও। সোমবার রাস্তায় যে সমস্ত গাড়ি নামবে, সেগুলি ভাঙচুর করা হলে বা অন্য ক্ষয়ক্ষতি হলে থাকছে বিমার ব্যবস্থা। পরিবহণ দপ্তর থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সোমবার বন্‌ধের সময় গাড়িতে ভাঙচুর হলে ক্ষতিপূরণ পেতে ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে হবে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।

জনপ্রিয়

Back To Top