আজকালের প্রতিবেদন: মাছ–মাংসের নানা পদের পাশাপাশি ‘‌আহারে বাংলা’‌য় মিলছে মাদার ডেয়ারির পান্তুয়া। কয়েক দিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে রসগোল্লাও। মঙ্গলবার বিধাননগরের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হল বঙ্গীয় খাদ্য উৎসব ‘‌আহারে বাংলা’। উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু, ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প রাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধাননগর পুর নিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। ছিলেন প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব বি পি গোপালিকা, বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী, পরেশ দত্ত প্রমুখ।
আহারে বাংলা এবার পাঁচ বছরে। চলবে ২৪ তারিখ পর্যন্ত। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ বছর ১৫২টি খাবারের স্টল খোলা হয়েছে। পাওয়া যাচ্ছে চীন, রাশিয়া ও জাপানের বিভিন্ন খাবার। সেখানকার বেশ কয়েকটি নামী সংস্থা স্টল খুলেছে। এ ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বাঁশের খোলের মধ্যে ঠাসা মাটন বিরিয়ানি, শুঁটকি মাছের ঝাল, মৌরলা মাছের চচ্চড়ি, ডাব চিংড়ি, চিতল মাছের মুইঠ্যা, তন্দুরি কোয়েল–সহ ৩০০টি পদ। রাজ্যের নামী ১১৫টি হোটেল–রেস্তোঁরা ও কেটারিং সংস্থা হাজির হয়েছে তাদের তৈরি খাবার নিয়ে। 
পাওয়া যাচ্ছে কৃষ্ণনগরের সরপুরিয়া, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা, মুর্শিদাবাদের ছানার বড়া ও বালুরঘাটের ক্ষীরদই। এতদিন মাদার ডেয়ারির দুধপেড়া, দই, ঘোল, পায়েস, পনির, আইসক্রিম, ঘিয়ের মতো 
দুগ্ধজাত সামগ্রী বাজারে পাওয়া গেলেও চকোলেট বা মিষ্টি ছিল না। এবার তাঁদের তৈরি পান্তুয়া ও রসগোল্লা প্যাকেটে বিক্রি হবে।
মেলা প্রাঙ্গণে রয়েছে তিনটি বিশাল তাঁবু। যাতে একসঙ্গে প্রায় ৭০০ জন পাত পেড়ে বসে খেতে পারবে। রয়েছে দুপুর ও রাতের খাবারের ভিন্ন ভিন্ন মেনু। থাকবে বিভিন্ন রকমের স্ন্যাক্সের আয়োজনও। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মিষ্টির প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য রয়েছে ৩২টি স্টল। মেলায় তৈরি করা খাবারের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে তুলাইপাঞ্জি, ব্ল্যাক রাইস, রাঁধুনি পাগলের মতো বিভিন্ন সুগন্ধি চাল। মেলার আয়োজনে রয়েছে কৃষি বিপণন, বেনফিশ, এসএফসি, খাদ্য ও প্রক্রিয়াকরণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং কুটির শিল্প দপ্তর।

জনপ্রিয়

Back To Top