সংবাদ সংস্থা: যদুনাথ সরকার, রোমিলা থাপার–এর পর রামচন্দ্র গুহ। তৃতীয় ভারতীয় ঐতিহাসিক, যিনি বিখ্যাত আমেরিকান হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন–এর সাম্মানিক সদস্যপদের পুরস্কার পেলেন। আমেরিকার বাইরে কাজ করছেন যে ইতিহাসবিদরা, যঁাদের প্রজ্ঞা এবং গবেষণা মার্কিন ইতিহাসবিদদের কাজে বিশেষ সহায়ক হচ্ছে, তঁাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সাম্মানিক সদস্যপদ চালু করেছিল এএইচএ। ১৯৫২–তে যদুনাথ সরকার এই বিরল সম্মান পেয়েছিলেন, ২০০৯ সালে রোমিলা থাপার এবং এবার, ২০১৯ সালে রামচন্দ্র গুহ। ২০২০ জানুয়ারিতে নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে তঁার হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে।
রামচন্দ্র গুহ তঁার এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে এএইচএ–র প্রতি টুইট করে কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি ধন্যবাদ জানিয়েছেন নিজের স্ত্রী সুজাতা, শিক্ষক শ্রী অঞ্জন ঘোষ এবং তঁার বইয়ের প্রথম সম্পাদিকা রুকুন আদবানিকে। বলেছেন, এঁদের তিনজনের সাহায্য না পেলে তঁার ইতিহাসবিদ হয়ে ওঠা হত না। বলেছেন, এই সদস্যপদে তিনি গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছেন। 
বিভিন্ন গবেষণাধর্মী পত্র–পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি রামচন্দ্র গুহর লেখা ইতিহাসের সবথেকে উল্লেখযোগ্য বই ‘‌ইন্ডিয়া আফটার গান্ধী’‌। মহাত্মা গান্ধীর পর ভারতীয় রাজনীতি এবং ইতিহাসের গতিপ্রকৃতি নিয়ে ইংরেজিতে লেখা মহাকাব্যিক এই বইটি প্রকাশিত হয় ২০০৭ সালে। ২০১১ সালে এটি সাহিত্য 
আকাদেমি পুরস্কার পায়। ‘‌দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’‌ এবং ‘‌দি ইকনমিস্ট’‌, দুই বিখ্যাত পত্রিকা বইটিকে বর্ষসেরা বইয়ের স্বীকৃতি দিয়েছিল।
যদিও ভারতের এখনকার সরকারের সঙ্গে রামচন্দ্র গুহর সম্পর্ক ভাল নয়। দেশের চলতি পরিস্থিতি নিয়ে তঁার নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রায়শই মোদি সরকারের অস্বস্তির কারণ হয়। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top